চরিত্রটিতে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। দেবী শেঠির সঙ্গে যাঁরা ছবিটি দেখতে এসেছিলেন, সবাই খুব প্রশংসা করলেন। আমার কাছে দুটি চরিত্রের প্রস্তাব ছিল। স্পিচ থেরাপিস্টেরটাই নিয়েছি। এটা একইসঙ্গে চিকিত্সক ও কাউন্সেলরের মিশ্রণ। এ রকম চরিত্র করা হয়নি। এই চরিত্রে অভিনয়ের বৈচিত্র্য বোঝা যাবে। কলকাতার সোমনাথ মুখার্জি নামে একজন স্পিচ থেরাপিস্ট আছেন, তিনি আমাকে খুব সহযোগিতা করেছেন। তিনি আমার শিক্ষক ছিলেন বলতে পারেন।
কলকাতার ‘কণ্ঠ’ সিনেমায় স্পিচ থেরাপিস্টের অভিনয় প্রসঙ্গে
চিত্রনায়িকা জয়া আহসান