মানিকগঞ্জের পদ্মা যমুনায় পানি বৃদ্ধি
শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০১৩, ২৩:২৯
পদ্মা-যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয়, হরিরামপুর ও ঘিওর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে পাটুরিয়া, দৌলতদিয়া, আরিচা ও কাজীরহাট ঘাটে লঞ্চ ও ফেরি পন্টুন স্থানান্তর করায় পারাপারে সময় বেশি লাগছে। এতে তীব্র যানজটে যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার যমুনার পানি আরিচা পয়েন্টে ৮ দশমিক ৯৫ মিটার স্তরে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ পয়েন্টে বিপদসীমা হচ্ছে ১০ দশমিক ৪২ মিটার। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরিচা পয়েন্টে ১ মিটারের বেশি পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, জিয়নপুর, চরকাটারি, শিবালয়ের তেওতা, শিবালয়, আরুয়া, হারিমাপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর, বাল্লা, আজিমনগর, ধূলসুরা, রামকৃষ্ণপুর, লেছড়াগঞ্জ প্রভৃতি ইউনিয়নের নদী সিকস্তি ও পয়স্তি বিস্তীর্ণ এলাকা পদ্মা ও যমুনার ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড গৃহীত প্রকল্পের আওতায় বিপুল অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও শিবালয়ের স্পর্শকাতর জাফরগঞ্জ বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকা নতুন করে যমুনা ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। এছাড়া আরিচা ঘাটের উত্তরে অপর স্পর্শকাতর নিহালপুর গ্রামে পদ্মা-যুমনা বেড়িবাঁধের একাংশ পুনরায় ভাঙ্গনের সম্মুখীন হয়েছে। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরিচা ঘাট ও তত্সংলগ্ন এলাকা যমুনায় বিলীন হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। দূর্গম আলোকদিয়া, চরকাটারি, জিয়নপুর, বাঘুটিয়া, দাসকান্দি, নয়াকান্দি, পাটুরিয়া, রামকৃষ্ণপুর প্রভৃতি চরাঞ্চলে ভাঙ্গন তীব্র হওয়ায় বিভিন্ন ফসলি জমি ও জনপদ ক্রমেই বিলীন হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা জানান, অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে পদ্মা-যমুনায় সৃষ্ট প্রবল ঢেউ ও স্রোতে ফেরি লঞ্চ চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে।