বিএনপি মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে :নাসিম

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি সর্বদা মিথ্যা বলতে অভ্যস্ত। তারা নির্লজ্জভাবে মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ থাকার কারণেই চারটি সিটি নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করেছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশনকে তারা সরকারের আজ্ঞাবহ বলেছে। শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মোহাম্মদ নাসিম একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বিরোধীদল সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার নানা অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। সাভারে রাতদিন পরিশ্রম করে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী উদ্ধার তত্পরতা চালিয়েছে। সে ঘটনাকে বিতর্কিত করতে রেশমা উদ্ধারের ঘটনাকে নাটক সাজিয়ে বিদেশি পত্রিকায় প্রকাশ করে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। কিশোরগঞ্জের উপ-নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে কিশোরগঞ্জে উপ-নির্বাচন হয়েছে। কোন মিডিয়ায় কারচুপির কথা বলেনি। অথচ বিএনপি মহাসচিব নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ডাহা মিথ্যাচার করছে। যদিও এ নির্বাচনে তারা সরাসরি কোন প্রার্থী না দিয়ে ডামি প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ছিল। তারা চারটি সিটি নির্বাচনের পূর্বে বলেছিল, নির্বাচনে কারচুপি হবে। কিন্তু নির্বাচনে তাদের প্রার্থী জয়লাভ করার পর তারা নিশ্চুপ ছিল। নির্বাচনের ১১ দিন পর তারা এ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করছে। তাহলে কি তাদের প্রার্থীরা কারচুপি করে জিতেছে? ওয়াশিংটন টাইমসে খালেদা জিয়া নিবন্ধ লিখে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করিয়ে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আবার এখন তিনি বলছেন, সেটি তিনি লেখেননি। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকে না। ওয়াশিংটন টাইমস কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে ঐ লেখাটা খালেদার। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিজয়ের ধারা শুরু হয়েছে। আশাকরি সিটি নির্বাচনেও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে জয়ী করবে গাজীপুরবাসী। গাজীপুরে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে। রায় দেয়ার মালিক জনগণ। তারা যে রায় দেবে আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে। এ সময় তিনি গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজমত উল্লাহকে সমর্থন ও মহাজোটে থাকার ঘোষণা দেয়ায় এরশাদকে ধন্যবাদ জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান, সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য, মোস্তফা কামাল খান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিত্সক ডা. হাবিবে মিল্লত মুন্না, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ইসহাক আলী ও সাধারণ সম্পাদক দানিউল হক মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।