জোকস
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০১৩, ১৯:৩৬
আর কিছুক্ষণ পরই দিল্লি রেল স্টেশনের সাত নম্বর প্লাটফর্মে এসে থামবে পাঞ্জাবগামী ট্রেন। কিন্তু তারই মাঝে কোথা থেকে যেন এক বোকাসোকা সর্দার দৌড়াতে দৌড়াতে এসে স্টেশন মাস্টারের রুমের সামনে চিত্কার করতে শুরু করলেন। তিনি বারবারই বলতে লাগলেন যে এখনই সাত নম্বর প্ল্যাটফর্মে আসা ট্রেনটাকে থামানো না গেলে সেটি উল্টে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটাবে। বিষয়টা শুনে স্টেশন মাস্টার সাত নম্বর প্লাটফর্মের লাইনে ছুটে গেলেন। কিন্তু তেমন কিছুই চোখে পড়ল না তার। তাই তিনি সর্দারজিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন যে তার কেন মনে হলো ট্রেনটি উল্টে যেতে পারে। উত্তরে বেশি কিছু না বলে সর্দারজি লাইনের উপর পড়ে থাকা অনেকগুলো কলার খোসার দিকে স্টেশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন।
ছেলেকে মাত্র কিছুদিন আগেই নোকিয়া ৩৩১০ মডেলের একটি মোবাইল কিনে দিয়েছেন সর্দারজি। কিন্তু মোবাইল হাতে পাওয়ার মাত্র দশদিনের মাথাতেই হাত থেকে ফেলে মোবাইলটি ভেঙে ফেললো সর্দারজির ছেলে। অগত্যা এবার বাধ্য হয়ে নকিয়া ৬৬১০ মডেলের ভিন্ন আরেকটি মোবাইল সেট কিনে দিলেন সর্দার। আর নতুন এই মোবাইল ফোনটি হাতে পাওয়ার পরই সর্দারজির ছেলে সবাইকে ফোন করে বলতে লাগলো, ‘আমার মোবাইল ফোনের নম্বর চেঞ্জ হয়েছে। আগের ৩৩১০ নম্বর বাদ দিয়ে এখন ৬৬১০ নম্বর সেভ কর।’
সান্তা সিং হাসপাতালের এক নার্সের প্রেমে পড়ে গেলেন। কিন্তু কথাটা সেই নার্সকে কীভাবে জানাবেন এটা ভেবে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে তিনি সংক্ষেপে একটি চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং একটি কাগজে সুন্দর করে, ‘আই লাভ ইউ সিস্টার!’ লিখে পাঠিয়ে দিলেন।
একদিন সান্তার সাথে দেখা হয়ে গেল কথা বলা এক ব্যাঙ-এর। ব্যাঙটি সান্তাকে ব্যঙ্গ করে বললো—
:তোমার মাথায় কোনো বুদ্ধি নেই।
সান্তা :আছে।
ব্যাঙ :না, নেই।
সান্তা :আছে
ব্যাঙ :না নেই, নেই...এই বলে ব্যাঙটি কুয়ায় লাফিয়ে পড়ল। এই দেখে সান্তা বলল, ‘আশ্চর্য মামুলি এই কথায় কুয়ায় লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার কি মানে হলো!’