মানিকপুর ৩ গম্বুজ মসজিদকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ ঘোষণার দাবি

কক্সবাজার জেলার শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মানিকপুর তিন গম্বুজ মসজিদে ফাটল ধরেছে। মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় ভারি যানবাহন চলাচলের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদকে রক্ষায় এলাকাবাসী শুক্রবার বিকাল থেকে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এ মসজিদকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ ঘোষণা করে এর সংরক্ষণ ও সংস্কারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। স্থানীয় ইতিহাসবিদদের সূত্রে জানা গেছে, প্রাচীন আমলের ইসলামী স্থাপত্য অনুসরণ করে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে তত্কালীন আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ ফজল কিউক চৌধুরী চকরিয়ার মানিকপুরের মাতামুহুরী নদীতীরে তিন গম্বুজ ও বারটি মিনার বা খিলান সম্বলিত এ মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। মসজিদ সংলগ্ন গোরস্থানে তার কবরও রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত এ মসজিদটির বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। শনিবার বিকালে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, তিনটি গম্বুজ ও বারটি সুদৃশ্য খিলান নিয়ে গঠিত মসজিদটি। বয়সের ভারে মাটিতে কিছুটা দেবে গেলেও এর সৌন্দর্য তেমন ম্লান হয়নি। ইতিহাস গবেষকরা জানান, প্রাচীনত্ব ও বিশেষ স্থাপত্যসমৃদ্ধ হওয়ায় এ মসজিদটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যেরও অংশ হতে পারে। কক্সবাজার জেলায় এই ধরনের মসজিদ দ্বিতীয়টি নেই। মানিকপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও চারুশিল্পী মাহবুর রহমান চৌধুরী জানান, এ মসজিদকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ ঘোষণা করে এর সংস্কারের দাবিতে শুক্রবার বিকাল থেকে মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।