ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
ভূরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে এবার রপ্তানি হচ্ছে রিফাইন পামওয়েল। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তেল রপ্তানির উদ্বোধন করা হয়। অবশ্য এর আগে আরএফএলের উত্পাদিত সামগ্রী রপ্তানি করা হয়েছিল। ২০১২ সালের ১৭ নভেম্বর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষে দেশের ১৮তম স্থল বন্দরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল সোনাহাট স্থল বন্দরের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। ভারতের গোলকগঞ্জ এবং বাংলাদেশের সোনাহাট স্থল বন্দর দিয়ে ভারতের ১০টি পণ্য যথা- পাথর, কয়লা, তাজা ফল, ভুট্টা, গম, চাল, ডাল, আদা, পেঁয়াজ ও রসুন আমদানির অনুমতি রয়েছে।
অপর দিকে, বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ পণ্য ব্যতিরেকে সকল পণ্য রপ্তানির অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পাথর ও কয়লা আমদানি করলেও ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের কোনো পণ্য আমাদানিতে আগ্রহ দেখায়নি। চলতি বছর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের আরএফএল কোম্পানির উত্পাদিত কিছু পণ্য আমদানি করার পর রবিবার রিফাইন পাম ওয়েল আমদানি করেছে। দেশবন্ধু গ্রুপের এসজি ওয়েল রিফাইনস লি. কোম্পানির উত্পাদিত রিফাইন পাম ওয়েল আমদানি করেছে ভারতের শুকরানা ইন্টারন্যাশনাল। প্রথম দফায় ১৫ কেজির ক্যানে ৮২০ পিস ক্যান পাঠানো হয়েছে। সোনাহাট স্থল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সরকার রকীব আহমেদ জানান, এত দিন বাংলাদেশ শুধু আমদানি করেছে এখন রপ্তানিও শুরু করেছে। এটা বাংলাদেশের জন্য সুখবর।
অপর দিকে, সহকারী রেভিনিউ কর্মকর্তা মো. মাসুদ জানান, এভাবে আমদানি ও রপ্তানি অব্যাহত থাকলে কিছুটা হলেও ভারতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে।