নারী পুলিশের প্রথম জাতীয় সম্মেলন
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৩, ২০:১২
২০০৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন্স নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন) আত্মপ্রকাশ করে। নারী পুলিশের মেধা ও প্রজ্ঞার অভিব্যক্তির আগ্রগতির লক্ষ্যে এগিয়ে যায় এই নেটওয়ার্ক। লক্ষ্য অর্জনের ধারাবাহিকতায় গত শনিবার পালন করা হয় প্রথম পুলিশ উইমেন্স নেটওয়ার্কের প্রথম জাতীয় সম্মেলন।
১৯৭৪ সালে মাত্র ১৪ জন নারী পুলিশ নিয়োগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে নারীর যে অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছিল সে সংখ্যা বর্তমানে ৬০০০ অতিক্রম করেছে। কর্মক্ষেত্রে ক্রমাগত সাফল্য এবং দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে নারীরা পুলিশ বাহিনীতে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের পূর্ণাঙ্গ নারী ইউনিট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যার সদস্যরা অত্যন্ত সফলতার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
আজ সমাজে অসহায়, অবহেলিত ও নির্যাতনের শিকার নারীর নিকট পুলিশের পোশাক পরিহিত নারীনির্ভরতা ও আস্থার প্রতীক। অসহায় নারী ও শিশুর নিরাপত্তা প্রদান এবং আইন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নারী পুলিশের ভূমিকা আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মতো চ্যালেঞ্জিং কাজে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের দুটি পূর্ণাঙ্গ নারী ইউনিট পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে। ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যদের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু নারী নির্যাতনের মামলা নিয়ে তদন্তের কাজ দিয়ে শুরু করলেও আজ দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব পালন করছেন নারী পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে অতিরিক্ত কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, এডিশনাল আইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারী পুলিশ সফলতার সাথে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন।