চলতি অর্থবছরে রফতানি ভর্তুকি পাবে ১৪টি খাত

দেশের রফতানি বাণিজ্য উত্সাহিত করতে চলতি অর্থবছরেও রফতানির জন্য জাহাজীকৃত পণ্যের মূল্যের ওপর বিভিন্ন হারে নগদ সহায়তা পাবে ১৪টি খাত। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক নীতি বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি ও নগদ সহায়তার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাহাজীকৃত পণ্যের মূল্যের বিপরীতে রফতানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা পরিশোধ্য হবে। এবছর সবচেয়ে বেশি রফতানি ভর্তুকি পাওয়া যাবে কৃষিপণ্য (শাক-সবজি/ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত (এগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্য, আলু এবং শতভাগ হালাল মাংসের। এ তিন খাতে রফতানির বিপরীতে ২০ শতাংশ হারে ভর্তুকি মিলবে। এরপর হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে হাতের তৈরি পণ্য রফতানি করলে তার বিপরীতে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এবং চামড়াজাত দ্রব্যাদি ও হাড়ের গুঁড়া রফতানির বিপরীতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি পাবেন রফতানিকারকরা। রফতানির বিপরীতে ১০ শতাংশ ভর্তুকি পাওয়া যাবে হাল্কা প্রকৌশল পণ্য, পেট বোতল-ফ্লেক্স ও পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য (পাট সুতা ব্যতীত) রফতানি করে। পাট সুতা ও হিমায়িত চিংড়ি রফতানি করে সাড়ে সাত শতাংশ ভর্তুকি পাওয়া যাবে। এছাড়া রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাত, বস্ত্রখাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা (প্রচলিত নিয়মের) এবং জাহাজ রফতানি করে পাঁচ শতাংশ নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি পাবে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। আর যেকোনো নতুন পণ্য রফতানি করলেই পাওয়া যাবে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা। এছাড়া যেকোন পণ্য নতুন দেশে (আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাদে) রফতানি করলেও একই হারে ভর্তুকি পাওয়া যাবে। রফতানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত সকল এফ,ই প্রজ্ঞাপন ও প্রজ্ঞাপনের প্রযোজ্য অপরাপর শর্তাবলী যথারীতি অপরিবর্তিত থাকবে বলে গতকালের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।