রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগে মেধার মূল্যায়ন হয়নি

দেশে প্রথমবারের মতো সরকার ২০১১ সালের ৯ ডিসেম্বর রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রমানুসারে নিয়োগদানের কথা। সহকারী শিক্ষক পদের লিখিত পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। আমি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চূড়ান্ত ফলাফলে ডোমার উপজেলায় ২ নম্বর সিরিয়ালে উত্তীর্ণ হই। এই নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে মেধাতালিকা অনুসারে প্রকাশ করে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত মোতাবেক আমি প্রথম ধাপে নিয়োগ পাবো কিন্তু আমাকে নিয়োগ না দিয়ে প্যানেলভুক্ত করে রাখা হয়। এই নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ভালো ফলাফল করে কেন আমি প্রথম ধাপে নিয়োগ পেলাম না? প্যানেলভুক্ত হয়ে থাকার কোনো প্রশ্ন আসে না। উল্লেখ্য, ডোমার উপজেলায় মোট উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা ১৬০ জন। তার মধ্যে ৩২ জন নিয়োগ পেয়েছেন। আমার চাকরির বয়সও প্রায় শেষের দিকে। প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করার ঘোষণা দেবার পর থেকেই প্যানেলভুক্ত শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়। প্রায় ২৬ হাজার সহকারী শিক্ষকের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অতএব, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন এই যে, আমার মতো ভুক্তভোগী হতাশাগ্রস্ত শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ দিয়ে অভিশপ্ত জীবন থেকে পরিত্রাণ দিন। মো. আজিজুল ইসলাম পশ্চিম সোনারায় ফার্ম হাট, ডোমার, নীলফামারী