খালিয়াজুরী হাসপাতাল নিজেই মুমূর্ষু
খালিয়াজুরী (নেত্রকোণা ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০১৩, ২২:০৯
নেত্রকোণার হাওর উপজেলা খালিয়াজুরী হাসপাতালে চিকিত্সক, নার্স, মেডিক্যাল সহকারী ও টেকনিশিয়ানের অভাবে চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। খালিয়াজুরী হাসপাতালের নয়জন চিকিত্সকের পদ রয়েছে। ইউএইচএফপিও ছাড়া এখন এ হাসপাতালে চারজন মেডিক্যাল অফিসারসহ কোন চিকিত্সকই নেই। আটজনের মধ্যে মেডিসিন, সার্জারীর, গাইনী এবং এনেসথেসিস্ট পদ শূন্য। এ ছাড়া বাকী চারজন মেডিক্যাল অফিসারও নেই। নয়জন নার্সের ছয়টি পদ শূন্য। সাতজন মেডিক্যাল সহাকারীর পাঁচটি শূন্য। ল্যাবরেটরী টেকশিয়ানে দুইজনের মধ্যে একজনও নেই। এ্যাক্সরে অপারেটার নেই। এছাড়া ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট একজন থাকলেও তিনি এখন জেলার বাইরে প্রেষণে রয়েছেন। হাসপাতালে নেই কোন অ্যাম্বুলেন্স।
সূত্র জানায়, হাওর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় এ হাসপাতালে চিকিত্সকরা যোগদান করেই চিকিত্সকদের বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে তদবিরের করে ভাল জায়গায় পোস্টিং নিয়ে চলে যান। এ কারণেই হাসপাতাল চিকিত্সক শূন্য থাকে। মাঝে মাঝে চিকিত্সক আসলেও তারা পালা করে ছুটি ভোগ করেন। হাসপাতালে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চিকিত্সকের অভাবে চালু করা যায়নি।
বিশেষ করে রাতের বেলা খালিয়াজুরীতে কেউ অসুস্থ হলে চিকিত্সা পায় না। ১৯৯৯ সালে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয়। নেত্রকোণার সিভিল সার্জন ডা. সাহিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চিকিত্সক, নার্স ও টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন বিভাগের অধিকাংশ পদ শূন্য রয়েছে। এ হাসপাতালে চিকিত্সক যোগদান করলেও থাকেন না। এ হাওর এলাকায় রোগীকে হাসপাতালে আনার জন্য নৌ অ্যাম্বুলেন্স দরকার।