একজনের ৪০টি নাম

সন্তানদের দীর্ঘ নাম রেখে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

রাতজিয়েল তিমসেল ইসমাইল জেরুব্বাবেল জাবুদ জিমরি পাইক ব্লাভাটস্কি ফিলো জুডেয়াস পোলিডোরাস ইসুরেনাস মোরিয়া নিলঘারা রাকোগজাই কুথুমি কুষ্ণমূর্তি আশরাম জেররাম আকাশা অম আলটিমাস রুফিনোরাম জানসি জানকো ডায়ামন্ড হু জিভ জেন জেকি ওয়েকম্যান ওয়াই মুয়ো তেলিতাই চোহকমাহ নিসেথরাহ মারকাভা নাইজেল সেভেন মর্নিংস্টার এ. সান জুয়ান সিসিসিআইআই। এটি রাতজিয়েলের নাম। কয়েক সপ্তাহ আগে ফিলিপাইনের আরডেন্টা শহরের পাঙ্গাসিনানের একটি স্কুলে নাম অন্তর্ভুক্তির সময় এই নাম লেখে ১৫ বছর বয়সী রাতজিয়েল। মনে হতে পারে তার ৪০টি নাম। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি নাম। খবর হাফিংটন পোস্টের। কেবল রাতজিয়েল নয়, তার অপর দুই ভাই-বোনের ক্ষেত্রেও স্কুলে অনেকের মনোযোগ রয়েছে। কারণ তাদের নামও দীর্ঘ। তার ভাই রামুয়েল স্পিরিচুয়েল মাত্তাতহিয়াহ ওবাদিয়াহ দারিয়ুস ডেসিডেরিয়াস আবনের ম্যাকেইরি নওয়েল আসা ইজি জুন পোলিটিকোন ট্রিগ গ্রুফফিড কিন কেম্প নওয়েলস বনিফাসিয়ো মাকাবাইয়ান এ. সান জুয়ান, যার বয়স ২১ বছর। তার রয়েছে ২০টি নাম। সে ফিলিপাইনের বাগুইয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। আর তার বোনের নাম রামিলি লিউইজ মারিয়োন তো কালোন জো ভেরা নাতালিয়া নাদেজনা জোরা হোসিয়া প্রো পাটরিয়া বেরেনিস ক্লোতিলডা কারেন্ট কালামো নাওমি নাহুম মেহেটাবেল এ. সান জুয়ান, যার বয়স ২৫ বছর। তারও নাম ২০টি। আর এই নাম রাখার পেছনে কাজ করেছে সরকারের প্রতি এদের বাবা সান জুয়ানের অসন্তুষ্টি। সান জুয়ান বলেন, যখন আমার প্রথম সন্তান জন্মগ্রহণ করে তখন আমার সন্তানের নাম নিবন্ধন করতে গিয়ে দেখলাম ফরমে নাম লেখার স্থান অনেক ছোট। আমি আমার সন্তানের নাম লিখতে প্রয়োজনীয় স্থানটুকু না পেয়ে কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করলাম, নাম যদি আরো বড় রাখি তাহলে কী হবে? তখন তারা উত্তর দিল, আপনি এটা করতে পারেন না। আর তারপর আমি এই নাম রাখি।