কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র কেনার নামে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাত ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ৫ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রবিবারর দুদকের একটি টিম মহাখালীতে অবস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদক টিম অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে আসবাবপত্র ক্রয়সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্রের ফটোকপি, মেডিকেল কলেজে ফার্নিচার ক্রয়সংক্রান্ত আইন-বিধি ও নীতিমালার কপি সংগ্রহ করে।
গতকাল যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ, অধিদপ্তরের চিকিত্সা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ডা. আবদুর রশীদ, কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ডা. মো. ইউনুস, উপ-কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ডা. কামরুল কিবরিয়া, প্রধান সহকারী আবদুল মালেক। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলমকে দুদক নোটিশ দিলেও তিনি গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে উপস্থিত ছিলেন না।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর ওই কলেজের অধ্যক্ষ আসবাবপত্র কেনার জন্য ২০ কোটি ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮০০ টাকার বরাদ্দ চান। যদিও তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তারপরও মন্ত্রণালয়ের থোক বরাদ্দ থেকে বরাদ্দ দেওয়াসহ প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য পাওয়া প্রস্তাব সুপারিশসহ অগ্রবর্তী করা হয়। নথিতে ওই ছয়জন সই করেন। দুদকের চট্টগ্রাম-২ এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলমের নেতৃত্বে সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।