প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মাউশি

গত ৩ জুলাই’ দৈনিক ইত্তেফাকে প্রথম পাতায় ‘নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে বিসিএস শিক্ষা সমিতি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রতিবাদে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত সকল কাজ স্বচ্ছতার সাথে করা হয়েছে। বিসিএস সমিতির সাথে মাউশির নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোন সম্পর্ক নেই। নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র। অতত্রব অনিয়ম ও দুর্নীতির কোন প্রশ্নই আসে না। প্রতিবাদে বলা হয়, মাউশির ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি নিয়োগের জন্য মাউশির পরিচালককে (কলেজ ও প্রশাসন) রহমানকে আহবায়ক ও উপ পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) কে সদস্য সচিব এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে নিয়োগ কমিটি গঠন করা হয়। নিয়োগ কমিটিকে বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা করার জন্য উপ-পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) কে আহবায়ক করে মাউশির ৫ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে সহায়তাকারী কমিটি গঠন করা হয়। সহায়তাকারী কর্মকর্তা ব্যতীত আর কেউ এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত ছিলেন না এবং জড়িতও নয়। শুধু লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ পর্যায়ে মাউশির সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। নিয়োগের লক্ষ্যে পরিচালিত লিখিত পরীক্ষা নিয়োগ কমিটির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দুই পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়। নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট নিয়োগ কমিটির এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে সংরক্ষিত আছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় পরীক্ষার ফল প্রক্রিয়াকরণ কাজ এগিয়ে চলছে। এসব কাজের সাথে নিয়োগ কমিটির সদস্যগণ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আছেন। পরীক্ষার ওএমআর শিট মূল্যায়নের কাজ এখনও শুরু হয়নি। শুধুমাত্র স্ক্যানিং করা হয়েছে এবং উপস্থিত/অনুপস্থিত যাচাইয়ের কাজ এগিয়ে চলছে। সুতরাং উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে কোনরূপ অনিয়মের অভিযোগটি আদৌ সত্য নয়। নিয়োগ কাজে এ পর্যন্ত পরিচালিত সকল পর্যায়ের কর্মকাণ্ডই স্বচ্ছতার সাথে করা হয়েছে।