ফাতেমার শরীরে ৪২ বছর ধরে ইস্প্লিন্টার

দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে ইসপ্লিন্টার শরীরে বহন করে চলেছেন ফাতেমা খাতুন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে পাক-হানাদার বাহিনীর বোমা হামলায় ফাতেমা আহত হন। তখন তাকে ভারতের জঙ্গিপুর হাসপাতালে চিকিত্সা করানো হয়। কিন্তু বেশ কিছু ইস্প্লিন্টার তার শরীরে থেকে যায়। অর্থাভাবে আজও চিকিত্সা করাতে পারছেন না। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে একটি সনদপত্র প্রদান এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ফাতেমাকে ৫০০ টাকার চেক প্রদান করেন। স্বাধীনতার ৪২ বছরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া সেই ৫০০ টাকা ছাড়া আর কোন আর্থিক সহায়তা পাননি বলে ফাতেমা জানান। গৃহবধূ ফাতেমা ১৯৭১ সালে সীমান্ত এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের রান্না করে খাওয়াতেন।