দুই যুগ পর জাপানের বাজারে খুলনার চিংড়ি

দীর্ঘ দুই যুগ পর খুলনা অঞ্চলের হিমায়িত চিংড়ি জাপানে রপ্তানি শুরু হয়েছে। অপদ্রব্য ব্যবহারের কারণে জাপান ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ থেকে চিংড়ি আমদানি বন্ধ করে দেয়। ভারতের চিংড়ির তুলনায় খুলনার চিংড়ি মান ভাল হওয়াতে জাপান আবার খুলনার চিংড়ি আমদানি শুরু করেছে। রফতানিকারকদের সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে খুলনার চিংড়ির সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ায় জাপানের ক্রেতারা আসতে শুরু করেছে। পাশাপাশি তাইওয়ান ও মিশরে হরিণা ও ক্যাট টাইগার রফতানি হচ্ছে। গত বছর প্রতি বিশটির সাইজে ১ কেজি ওজনের চিংড়ির দাম ছিল সাড়ে ৮ থেকে ৯ ডলার। এ বছর জাপানে একই সাইজের প্রতি কেজি চিংড়ির দাম বেড়ে ১২ দশমিক ৮০ ডলার থেকে ১৩ ডলার হয়েছে। কসমস সী ফুডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে খুলনা অঞ্চল থেকে ১৪-১৫টি হিমায়িত খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জাপানে চিংড়ি রফতানি করছে। আসিয়া সী ফুডের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মোশাররফ হোসেন জানান, মে মাসে এ প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে ৩৪ টন চিংড়ি জাপানে রফতানি করা হয়েছে। ন্যাশনাল সী ফুডের জেনারেল ম্যানেজার জালাল উদ্দিন জানান, গত ৫ মাসে তারা একশ’ টন হিমায়িত চিংড়ি জাপানে রফতানি করেছে। হিমায়িত খাদ্য রফতানিকারক তরিকুল ইসলাম জহীর জানান, প্রতিষ্ঠানটি চলতি জুন-জুলাই মাসে আড়াইশ’ টন চিংড়ি জাপানে রফতানি করতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন। মত্স্য অধিদপ্তরের সূত্র মতে, খুলনা জেলায় ২৪ হাজার চিংড়ি ঘেরে ৩৬ হাজার ৪২৭ হেক্টর জমিতে বাগদা চিংড়ি চাষ হচ্ছে।