হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় আরো দুই জনের সাক্ষ্য

লেখক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় আরো দুইজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার এ মামলায় হুমায়ুন আজাদের মেয়ে মৌলি আজাদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শরিফুল হাসান আদালতে সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলাটিতে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ এএইচএম হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ১৪ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেন। জবানবন্দিতে মৌলি আজাদ বলেন, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। তিনি কোন আসামিকে দেখেননি বা কারও নামও বলেননি। অপরদিকে শরিফুল হাসান বলেন, তিনি ছিলেন টিএসসিতে। আওয়াজ শুন তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন একজন লোক পড়ে আছে। কেউ তাকে সহায়তা করছেন না। আহত লোকটিকে উপুড় করে দেখে চিনতে পারেন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন আজাদ। কয়েকটি রিকশা এবং একটি প্রাইভেট কারের ড্রাইভারকে তিনি অনুরোধ করেন হুমায়ুন আজাদকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য। কিন্তু কেউ নিতে রাজি না হলে একটি পুলিশের গাড়িতে করে তিনি হুমায়ুন আজাদকে হাসপাতালে নেন। তিনিও কোন আসামির নাম বলেননি। এ কারণে আসামিদের আইনজীবীরা সাক্ষী দুজনের কাউকেই জেরা করেননি। ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। চিকিত্সাধীন অবস্থায় পরে তিনি জার্মানিতে মারা যান।