এক ফ্ল্যাট বহুজনের কাছে বিক্রি
প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০১৩, ২২:৩৮
একটি আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক ফ্ল্যাট ক্রেতার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতারা সংবাদ সম্মেলনে ‘সুমনা গ্রুপে’র ‘সুমনা ল্যান্ডমার্ক অ্যান্ড টেকনোলজিস্ লিমিটেড’র বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতা শাহিন পারভীন বলেন, প্রায় ৫১টি পরিবার বিভিন্ন দামে সুমনা গ্রুপের প্রকল্পে ফ্ল্যাট কিনেছিল। যার আনুমানিক মূল্য ১৫ কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ক্রেতারা চেক ও ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করলেও ওই প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার সময় ঠিক করা নিয়ে গড়িমসি করছে। পরে ক্রেতারা জানতে পারেন, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রকল্পের একই ফ্ল্যাট ৫-৬ জনের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। একই অভিযোগ করেন ফ্ল্যাট ক্রেতা রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ডা. রুবাইয়াত ইসলাম মন্টি ও তার সহযোগী আলিফ রুশদি হাসান মুন, নাজমুল হুদা ভুঁইয়াসহ কয়েকজন এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে র্যাব, সিআইডি, ডিবিকে অভিযোগ করার পরও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আইনজীবী ব্যারিস্টার মহীউদ্দিন আহমেদ বলেন, অভিযুক্ত ড. সিরাজুল ইসলাম ও তার ছেলে ডা. রুবাইয়াত ইসলাম মন্টি এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে ২৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতা ২৯টি মামলা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে ডা. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সুমনা ল্যান্ডমার্কের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। যতদূর জানি সেটি একটি লিমিটেড কোম্পানি। আমার ছেলে ডা. রুবাইয়াত ইসলাম মন্টি সেখানকার শেয়ারহোল্ডার। যদি কেউ এই কোম্পানির মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে থাকেন তাহলে তাদের প্রতি আমার সমবেদনা আছে, তবে প্রতারণার দায়ভার আমি নিতে পারবো না। ছেলের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান, সৈয়দ আবদুল্লাহ আল নোমান, ওবায়দুর রহমান ও রবিউল ইসলামসহ ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন ক্রেতা উপস্থিত ছিলেন।