মুন্সীগঞ্জের নৌ-পথে চলছে চাঁদাবাজি
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৩, ২১:০৪
মুন্সীগঞ্জের নৌ-পথগুলোতে চলছে চাঁদাবাজি। ধলেশ্বরী,পদ্মা, ইছামতি ও মেঘনা নদী বেষ্টিত এই জেলার নৌ-পথগুলোতে চাঁদাবাজদের দাপট। এই চাঁদাবাজি প্রতিরোধে টহল পুলিশের বিরুদ্ধেও রয়েছে চাঁদা আদায়, জ্বলানি তেল এমনকি মালামাল ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা। মেঘনা নদীর গজারিয়া থেকে মুন্সীগঞ্জ এবং চাঁদাপুরের উত্তর মতলব থেকে কালীর চর হয়ে এই দু’টি পথ ছাড়াও মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টির কাছে ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার মোহনায় চাঁদাবাজি ঘটছে। এছাড়া পদ্মার বাংলাবাজার, শিলই এবং মাওয়া ও ভাগ্যকুলের কাছেও চাঁদাবাজদের দাপট। বালু কাটা ড্রেজার মালিক শ্রমিকদের নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় বিভিন্ন নৌযান মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার চাঁদাবাজি মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, রবিবার গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দীর রঘুরচর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে চাঁদা আদায় করার সময় গজারিয়া পুলিশ ক্যামেপর সদস্যরা তাদের বাধা দেয়।
এ সময় নৌ-চাঁদাবাজ ও হত্যা মামলার আসামি আখতার, মুক্তার ও মাহাবুবসহ তাদের লোকজন হামলা চালিয়ে পুলিশকে মারধর করে। এতে কনস্টেবল রেজাউল ইসলাম (৩২) আহত হয়। ড্রেজার শ্রমিকদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় বুধবার ১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়।
সোনারগাঁওয়ের চরকিশোরগঞ্জ ও বন্দর থানা পুলিশও টহল দেয়। টাকা, তেল এমনকি মালামালও রেখে দেয়।
মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার শুক্রবার জানান, নদীপথে চাঁদাবাজি চলছে অস্বীকার করার কারণ নেই। তবে পুলিশের অভিযানও চলছে। জনবল কম থাকায় সব নৌ-পথে সব সময় টহল দেয়া যায় না। এছাড়া মুন্সীগঞ্জের সাথে নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও সোনারগাঁও এলাকা রয়েছে। মুন্সীগঞ্জের টহল পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।