যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার এ মাসে উদ্বোধন হতে পারে

চলতি মাসেই যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার উদ্বোধনের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে রাজধানীতে যাতে জলজটের সৃষ্টি না হয় সেজন্য ঢাকা ওয়াসা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। একটানা ১১ দিন বিরতির পর গতকাল রবিবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংসদকে এসব কথা জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। প্রথমেই দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার কবে উদ্বোধন করা হবে লিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে জানতে চান নূরুল ইসলাম বিএসসি। জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি জুলাই মাসে ফ্লাইওভার উদ্বোধন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বেগম রওশন জাহান সাথীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ২৬টি খালের মধ্যে আটটি খাল বিশ্বব্যাংক প্রকল্প থেকে এবং চারটি খাল ঢাকা মহানগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প থেকে উন্নয়ন ও খনন করার কাজ শিগগিরই শেষ হবে। সাইক্লোন সেল্টার : সাধনা হালদারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় জাইকার অর্থায়নে উপকূলীয় চারটি জেলায় ৪৮ কোটি টাকায় ৩৬টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হয়েছে। জেলাগুলো হচ্ছে বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বাগেরহাট। কাঁচা-পাকা সড়ক : মো. নূরুল ইসলাম সুজনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আওতায় তিন লাখ দুই হাজার ১৬২ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এরমধ্যে ৮৪ হাজার ৯৯১ কিলোমিটার সড়ক পাকা করা হয়েছে। কাঁচা সড়ক হচ্ছে দুই লাখ ১৭ হাজার ১৭১ কিলোমিটার। বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড থেকে আয় : মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, রাজধানীতে দুটি সিটি করপোরেশন এলাকায় অনুমোদিত এক হাজার ৩৮৫টি বিলবোর্ড রয়েছে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৫২টি বিলবোর্ড থেকে গত অর্থ বছরে আয় হয়েছে দুই কোটি এক লাখ টাকা। উত্তর সিটি করপোরেশনে বিলবোর্ড রয়েছে এক হাজার ৩৩টি। আয় হয়েছে পাঁচ কোটি ১২ লাখ টাকা। আর্সেনিকমুক্ত পানির উত্স : ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের সময় এ পর্যন্ত এক লাখ ৯৮ হাজার আর্সেনিকমুক্ত পানির উত্স নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৮৮ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি এবং ৯০ ভাগ মানুষ স্যানিটেশন সুবিধা পাচ্ছে।