লাশ ফেলে পালানোর ঘটনা বাড়ছে
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৯
হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়েছে বাহকরা। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের হাসপাতালে সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত শুক্রবার ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে রুবেল নামে এক কিশোরের লাশ রেখে পালিয়ে যায় বাহকরা। ঘটনার তিনদিন পর পঙ্গু হাসপাতালে এরকম ঘটনা ঘটল।
শেরেবাংলা নগর থানার এসআই ওয়াহেদুল ইসলাম জানান, সকালে চারজন লোক অচেতন অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবককে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করলে বাহকরা লাশ রেখে পালিয়ে যায়। নিহত যুবকের মাথা, পায়ের গোড়ালিসহ সারা শরীরে জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার চোখ-মুখ অস্বাভাবিক ফোলা ছিল। তার পরণে ছিল সাদা-কালো চেক ফুলশার্ট ও জলপাই রঙের প্যান্ট। ময়না তদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে অন্য কোথাও মারধর করে গোপনে চিকিত্সা করাতে আনা হয়েছিল। ঘটনাটি রহস্যজনক। তদন্ত চলছে।
অপর ঘটনায় তুরাগের উত্তর রাজাবাড়িতে একটি বাসা থেকে রবিবার রাতে ফাতেমা বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ময়নাা তদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের বাবার নাম আফসার আলী। স্বামী আলিমুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির বাওলায়।
এদিকে সোমবার রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দু’জন যুবক মারা গেছেন। এরা হলেন- এসএম পারভেজ ও মাসুদ রানা। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকাল ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে করে গুলশানের কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন পারভেজ। পথে যাত্রাবাড়ির কুতুবখালী বাজারের সামনে পৌঁছালে একটি যাত্রাবাহী বাস পেছন দিক দিয়ে তার গাড়িকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়েন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। তার পকেট থেকে পাওয়া পরিচয়পত্র থেকে জানা গেছে, তিনি একটি সিমেন্ট কোম্পানির ম্যানেজার। তার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বায়েজিদ বোস্তামি রোডে। তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর হোসেন। স্ত্রী ফারজানা ইমরোজ মুক্তা। অপরদিকে পল্লবীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাসুদ রানা নামে একজন ভিডিও ক্যামেরাম্যান মারা গেছেন। তার বোন রূপা জানান, মিরপুর ১২ নম্বর ডিওএইচএস থেকে রবিবার রাত তিনটার দিকে মোটরসাইকেলে করে মগবাজারের বাসায় ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সকরা মৃত ঘোষণা করেন। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। তিনি মগবাজারের ওয়্যারলেসগেটের নুরজাহান টাওয়ারে সপরিবারে থাকতেন।