ভারতীয় গরু করিডোর
না করায় রাজস্ব ক্ষতি
মহেশপুর(ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৩, ২২:১১
মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে গরু আসলেও করিডোর না করায় ভ্যাট আদায় হচ্ছে না। ফলে লাভবান হচ্ছে এক শ্রেণির দালাল ও প্রশাসনের লোক। এলাবাসী জানায়, কুশুমপুর, শ্রীনাথপুর, লড়াইঘাটা, শ্যামকুড়, বাঘাডাঙ্গা, পলিয়ানপুর সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শত শত গরু তারকাটা পার হয়ে অবৈধপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।
নিয়মানুযায়ী গরুগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে বিজিবির প্রত্যয়ন পত্র দেখে কাস্টম কর্তৃপক্ষ ৫শ’ টাকা হারে ভ্যাট আদায় করার কথা। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যে পরিমাণ গরু আসছে তার সঠিক ভ্যাট করা হচ্ছে না। এতে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। কুশুমপুর গ্রামের আশা, শ্রীনাথপুর গ্রামের আমজাদ হোসেন, শ্যামকুড় গ্রামের শফি, বাঘাডাঙ্গা গ্রামের তাজু, রবিউল, পলিয়ানপুরের আলী, রাইপুরের রেজাউল, জিন্নানগর বাজারের ছবির নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট পুলিশ, বিজিবি ও রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে গরু প্রতি ২শ’ টাকা কালেকশন করে থাকে।
এছাড়া ভ্যাট বাদে যে সকল গরু পার হয় তার হিসাব আলাদা এবং প্রশাসনসহ একটি বিশেষ সিন্ডিকেট তা পেয়ে থাকে। জানা গেছে , প্রতিদিন ৪/৫শ’ গরু আসছে কিন্তু ভ্যাট আদায় হচ্ছে অর্ধেক। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানা, প্রতিদিন যে অবৈধ টাকা কালেকশন হয় তার ভাগ বিজিবি, পুলিশ, কাস্টম ও রাজনৈতিক নেতারা পেয়ে থাকেন। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাদের পাওয়া যায়নি।