খোঁজখবর
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৩, ১৯:২০
ঈদে একক সংগীতানুষ্ঠান
জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সুমনা হককে টিভি অনুষ্ঠানে কিংবা কোনো স্টেজ শোতে এখন গান পরিবেশন করতে খুব কমই দেখা যায়। গান গাওয়ার চেয়ে এখন তিনি ছবি আঁকায় আগের চেয়ে একটু বেশি মনোযোগী হয়েছেন। মনের ভাষা তুলির আঁচড়েই প্রকাশ করতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন গুণী এই শিল্পী। তবে ঈদ এলে কোনো একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে একক সংগীতানুষ্ঠান করেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি নতুন স্যাটেলাইট চ্যানেল এসএ টিভির জন্য একটি সংগীতানুষ্ঠানে গান গেয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানের নাম ‘সুমনা হকের গান’। নিজের গাওয়া মোট আটটি গান গেয়েছেন তিনি। গানগুলো হচ্ছে ‘মায়াবী এ রাতে’, ‘মাঝে কিছু বছর গেল’, ‘যখন ঝরলো নয়ন’, ‘আবার এলে ফিরে’, ‘কত যে খুঁজেছি তোমায়’, ‘আজ মন হারাবার’, ‘হারিয়ে যেতে চায় মন’ ও ‘কিছু কিছু কষ্ট আছে থাক’। সম্প্রতি বিএফডিসিতে গানগুলো ধারণ করা হয়েছে। সুমনা হক বলেন, ‘শ্রোতা-দর্শকের কথা বিবেচনা করেই মূলত ঈদের জন্য গানগুলো গাইলাম। আশা করি সবার ভালো লাগবে। তবে গানগুলো দেখার জন্য ঈদ পর্যন্ত শ্রোতা-দর্শককে অপেক্ষা করতে হবে।’
কট বিহাইন্ড
এই সময়ে মিডিয়ার বিভিন্ন কর্মীদেরকে কাজ দেওয়ার কথা বলে দামী দামী মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার গল্প বেশ আলোচিত। ঠিক এমনি এক সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘কট বিহাইন্ড’। গোলাম রাব্বানীর রচনা ও জয়ন্ত রোজারির পরিচালনায় এতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন। তার বিপরীতে আছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদ। নিজের চরিত্র সম্পর্কে মেহজাবীন বলেন, ‘আমি শতাব্দী ভাইয়ার অভিনয়ের ভীষণ ভক্ত। তার সাথে এর আগে আমি দুটি নাটকে কাজ করেছি। সত্যিই ভীষণ কোঅপারেটিভ একজন শিল্পী তিনি। তার কাছ থেকে আমি অভিনয়ের টুকিটাকি অনেক কিছুই শিখেছি।’ ‘কট বিহাইন্ড’ নাটকটি একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে ঈদে প্রচার হবে।
গোধূলি বেলায় কুসুম
জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম সিকদার সম্প্রতি অভিনয় করলেন ‘গোধূলি বেলায়’ নামের একটি টেলিফিল্মে। আহমেদ ইউসুফ সাবেরের রচনা ও দীন মোহাম্মদ মন্টুর পরিচালনায় কুসুমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে কুসুম শিকদার বলেন, ‘টেলিফিল্মটির গল্প অসাধারণ। দর্শকের ভীষণ ভালো লাগবে এটুকু আমি নিশ্চিত বলতে পারি। মিলন একজন দুর্দান্ত অভিনেতা। তিনি ভীষণ কো-অপারেটিভও বটে। আমাদের এই কাজটি ঈদে অনেক কাজের ভিড়ে অনেক ভালো একটি কাজ হবে।’ কুসুম এরইমধ্যে শেষ করেছেন রাহুল আনন্দের ‘প্রেম ও সময়ের গল্প’ ও ওয়াহিদ আনামের ‘ধোঁয়া’ নাটকের কাজ। নাটকগুলোতে যথাক্রমে তার বিপরীতে রয়েছেন কল্যাণ ও আরিফ।
এবার ডাকপিয়ন
নাট্যাভিনেতা ঝুনা চৌধুরী এবার ডাকপিয়নের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আসছে ঈদের জন্য নির্মিত হলো টেলিফিল্ম ‘ডাকপিয়ন’-এ দর্শকরা তাকে এই চরিত্রে দেখতে পাবেন। আলম জাহাঙ্গীরের রচনা ও পরিচালনায় এতে আরও অভিনয় করেছেন আমিরুল হক চৌধুরী, শিরিন আলম, মাহমুদ, মিউলি শিলা, খোরশেদ আলম প্রমুখ। নাটক প্রসঙ্গে ঝুনা চৌধুরী বলেন, ‘কালের বিবর্তনে আর প্রযুক্তির উন্নতির ফলে মানুষ এখন আর চিঠি লিখে না, ভাবের আদান প্রদান আর চিঠির মাধ্যমে প্রকাশ করে না। এরই ফলে সেকান্দার মিয়ার মতো হাজারো কর্মব্যস্ত ডাকপিয়ন আজ কর্মহারা। তাদের কোনো কাজই নেই অলসভাবে সময় কাটানো ছাড়া। সবমিলিয়ে চরিত্রটি বেশ মজার। আশা করি টেলিফিল্মটি দর্শকদের ভালো লাগবে।’
বিশ বছর পর চম্পা-স্বাগতা
আজ থেকে ঠিক বিশ বছর আগে জনপ্রিয় নায়িকা চম্পা ও নাট্যাভিনেত্রী-কণ্ঠশিল্পী স্বাগতা একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। ছবির নাম ‘টপ মাস্তান’। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন ফজল আহমেদ বেনাজীর। ছবিটিতে চম্পার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শিশুশিল্পী স্বাগতা। স্বাগতার বয়স তখন মাত্র ছয় বছর। তার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন নন্দিত নায়িকা শবনম। বাবার চরিত্রে ছিলেন আবুল হায়াত। বিশ বছর পর চম্পা ও স্বাগতা একই টেলিফিল্মে এই প্রথমবারের মতো কাজ করছেন। মুজ্তবা সউদ রচিত ও তন্ময় তানসেন পরিচালিত ‘অতঃপর ভালোবাসা’ টেলিফিল্মে তারা দুজন দুই প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি উত্তরায় টেলিফিল্মটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। চম্পা বলেন, ‘অসাধারণ একটি গল্প রচনা করেছেন মুজ্তবা। গল্প পড়েই ভালো লাগার কারণে কাজটি করেছি। নাটকে আমার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেলিম ভাই (শহীদুজ্জামান সেলিম)। আমার প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছে রিমন নামের নতুন এক শিল্পী। স্বাগতার সাথে বিশ বছর পর একসাথে কাজ করলাম। খুব ভালো লেগেছে।’