শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৩, ২০:৪২
দুইদিন সূচক বাড়ার পর গতকাল কিছুটা পতনের মধ্য দিয়ে পাড় করেছে দেশের উভয় শেয়ারবাজার। সূচক পতনের সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। তবে কমলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৯৮৬ কোটি টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টানা হরতালের মধ্যেও বাজারে লেনদেন ১ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি হচ্ছে এটা ইতিবাচক। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে বিনিয়োগকারীরা বাজার নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যেতে পারেন। তাই বাজার উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা জরুরী।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দুইদিন বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির পর গতকাল মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে সূচক কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে। তবে কিছু কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণার প্রত্যাশায় কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বেড়েছে। এদিকে গতকালও জ্বালানি খাতে লেনদেনের প্রাধান্য অব্যাহত ছিল। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৩৬০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তাছাড়া বাজারের সর্বোচ্চ মূলধনের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৫টিই জ্বালানি খাতের। দাম বাড়ার ক্ষেত্রেও জ্বালানি খাত এগিয়ে ছিল। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর। এ শেয়ারগুলোর দাম বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৮৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ২১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৮৬ কোটি ৭৮ লাখ ১৪ হাজার ৬৫৮ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৬টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের।