ঘুষের টাকা ফেরত দিচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা

ঘুষ নিয়ে ফেরত দেয়ার অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে স্বাস্থ্য প্রশাসনে! স্বাস্থ্য খাতের স্থানীয় প্রশাসন চার শতাধিক কর্মচারীর কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে এক পদে নিয়োগ দিয়ে পরে পদ পরিবর্তন করে দিয়েছিল। যা নিয়োগ বিধি অনুযায়ী অবৈধ। গত ১১ জুলাই ‘স্বাস্থ্য খাতে নিয়োগের পর চারশ কর্মচারীর পদ পরিবর্তন; স্থানীয় প্রশাসনে ঘুষ বাণিজ্য’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক ইত্তেফাক। এর পরপরই তোলপাড় সৃষ্টি হয় স্বাস্থ্য প্রশাসনে। বেশ কয়েকজন বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট ডোম, মশালসি, গার্ড, মালি ও সুইপার পদে নিয়োগ দিয়ে পরে পদ পরিবর্তন করে বিপুল অর্থ নিয়েছিলেন। বিষয়টি পত্রিকায় প্রকাশের পর জানতে পারেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পদ পরিবর্তনকারী চার শতাধিক কর্মচারীকে আগের পদে যোগদান এবং নতুন পদে নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ নির্দেশ জারির পর স্থানীয় প্রশাসনে পদ পরিবর্তনকারী ঘুষখোরদের মাথায় হাত। ইতিমধ্যে রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা পদ পরিবর্তন করে নেয়া ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মোঃ সিফায়েত উল্লাহ বলেন, ঘুষ নেয়াই অবৈধ। আর ঘুষ নিয়ে ফেরত দেয়াটাও ভাল লক্ষণ। রংপুরসহ অন্যান্য বিভাগীয় ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।