বেকারত্ব দেশের সম-সাময়িক সমস্যাগুলির অন্যতম। বেকার মানেই পরিবার, সমাজ ও দেশের বোঝা। বেকাররা যখন বয়সের জন্য আন্দোলন করল তখন তা অপব্যাখ্যাতেই মুখ থুবড়ে পড়ল। বয়স ৩৫ চাওয়া হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তা ১ বছর বাড়ানো যুক্তিযুক্ত হতো। বয়স বেশি বাড়ানো মোটেই কাম্য নয়, তবে এভাবে সোজা না বলাটাও সমর্থনযোগ্য বলেও মনে করছি না। এখন একটা আবেদন, চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরে পদক্ষেপ নেওয়া হোক। অপব্যাখ্যাতে বলা হতে পারে, টিউশনি করার কথা, যা অযৌক্তিক। কেননা সবাই টিউশনি করেই কোনোরকমে চলে। টিউশনি করে কয়েকটা চাকরির আবেদন করা, পড়াশোনা, কোনো রকমে মেসভাড়া দেওয়া তথা বেঁচে থাকা। এ অবস্থায়, পরিবারের সদস্যদের টানাপড়েন, অভিভাবকদের ওষুধ কেনার অক্ষমতা ও পরিবারের অসহায়ত্বে বাড়ি থেকে আর্থিক সহায়তা চাওয়া যায় না। বারবার চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলন, আবদারে দেশের দায়িত্বশীলরা কেন অসহায়ত্ব খুঁজে পান না বরং অযাচিত, ট্যাগিং করে দমন বা স্তিমিত করতে চেষ্টা চালান তা বোধগম্য নয়। অবিলম্বে চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরে কার্যকর পদক্ষেপ এবং যতদ্রুত সম্ভব বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হোক।
মোহা. রাইহানুল ইসলাম মিলন
চতুরপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ