জোকস

 বাড়ির নতুন কাজের লোক খুবই দায়সারাভাবে ঘর মুছছিল। তাই দেখে বাড়ির গৃহকর্ত্রী তাকে ডাক দিয়ে বললেন, ‘হ্যাঁ রে, ঘরটা একটু ভালো করে মোছ না।’ গৃহকর্ত্রীর এই কথা শোনা মাত্রই কাজের লোক মুখের উপর হাত রেখে বলল, ‘ছিঃ ছিঃ মা! অমন অলক্ষুণে কথা ভুলেও মুখে আনবেন না।’ ‘বা রে! আমি তো শুধু ঘরটা ভালোভাবে মুছতে বললাম! তা এর মধ্যে আবার অলক্ষুণের কী হলো?’ জানতে চাইলেন গৃহকর্ত্রী। উত্তরে কাজের মেয়েটি বলল, ‘আসলে আগের বাসার গিন্নিও সারাদিন এমন কথাই বলত। তা মুছতে মুছতে ওদের ঘর এতই পিচ্ছিল হয়ে গেল যে শেষ পর্যন্ত একদিন বাড়ির ছোট ছেলেটা পিছল খেয়ে পায়ের হাড়ই ভেঙে ফেলল!’  বিচারক :তুমি কি বন্দুকের গুলিটা ছুটে যেতে দেখেছ? সাক্ষী :না হুজুর, আমি শুধু আওয়াজ শুনেছি। বিচারক :কিন্তু শোনা কথা বা শব্দ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। বিচারকের এই কথা শুনে কাঠগড়া থেকে নামার সময় সাক্ষী হা হা করে হেসে উঠল। সাক্ষীর এই আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়ে বিচারক বললেন, ‘তুমি জানো তোমার এই আচরণের কারণে আমি তোমাকে জেলে দিতে পারি! সাক্ষী :কোন আচরণ? বিচারক :এই যে তুমি কাঠগড়া থেকে নেমে যাওয়ার সময় তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলে! সাক্ষী :কিন্তু আপনি কী করে আমাকে হাসতে দেখলেন হুজুর? আমি তো আপনার দিকে পেছন ফিরে ছিলাম। বিচারক :কিন্তু তোমার হাসির শব্দ তো শুধু আমি না, এখানে উপস্থিত সবাই শুনেছে। সাক্ষী :কিন্তু শোনা কথা কি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে হুজুর?  প্রথম বন্ধু :বিয়েটা আসলেই একটা লটারির মতো। দ্বিতীয় বন্ধু :না, আমি তোর এই কথার সাথে মোটেই একমত নই। প্রথম বন্ধু :কেন? দ্বিতীয় বন্ধু :কারণ লটারিতে তাও কতগুলো অপশন থাকে, বিয়েতে থাকে না!