‘স্বাধীন ভারতের প্রথম চরমপন্থি একজন হিন্দু’

এনডিটিভি

ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা ও রাজনীতিক কমল হাসান বলেছেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম চরমপন্থি ছিলেন একজন হিন্দু। রবিবার রাতে তামিলনাড়ু রাজ্যের কারুর জেলার আরাভাকুরিচি শহরে এক নির্বাচনী প্রচারণা সভায় তিনি একথা বলেন।

কমল হাসান বলেন, এটি একটি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা বলে আমি এ কথা বলছি না। আমি গান্ধী মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে এ কথা বলছি। তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারীর নাম নাথুরাম গডস। এই নাথুরামই স্বাধীন ভারতের প্রথম চরমপন্থি। আর এখান থেকেই চরমপন্থার যাত্রা শুরু। কমল হাসানের রাজনৈতিক দল এমএনএম এবারই প্রথম তামিলনাড়ু থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এখানে যে চারটি আসনে উপ-নির্বাচন হবে তার মধ্যে একটি হচ্ছে আরাভাকুরুচি। আগামী ১৯ মে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার রাজনৈতিক দল এই আসনে একজন প্রার্থী দিয়েছে। এই প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাতেই তিনি ওইদিন সেখানে যান। কমল হাসান বলেন, এই গুপ্তহত্যার উত্তর খুঁজতেই তিনি এখানে এসেছেন। তিনি আরো বলেন, ভালো ভারতীয়রা সমতা চায় এবং জাতীয় পতাকার তিনটি রঙ অটুট রাখতে চায়। আমি একজন ভালো ভারতীয়, গর্বিতভাবেই তা প্রচার করবো।

২০১৭ সালের নভেম্বরে তামিল চলচ্চিত্রের এ মহাতারকা ‘সন্ত্রাসবাদ ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলোকে সংক্রমিত করেছে’ বলে মন্তব্য করেছিলেন, এতে বিজেপির সঙ্গে তাদের বিরোধ শুরু হয়। ওই সময় হাসান বলেছিলেন, “অতীতে হিন্দু, ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলো সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিতো না, বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতো তারা; কিন্তু তারা এখন সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।” এর কয়েক মাস পর এক মন্তব্যে তিনি জানান, তিনি হিন্দুবিরোধী বা অন্য কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে না। চলতি বছরের প্রথমদিকে কমল হাসান কেরালার শবরিমালা মন্দির ইস্যুতে দেখা দেওয়া ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভের জন্য ডানপন্থিদের দায়ী করেছিলেন।