গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে গণজাগরণ মঞ্চের আপিলের সুযোগ নেই
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০১৩, ২৩:০৬
অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের সমন্বয়ক এম কে রহমান বলেছেন, আইন অনুসারে গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে গণজাগরণ মঞ্চের আপিল করার সুযোগ নেই। তবে রায়ে আমরাও সংক্ষুব্ধ। আপিলের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছি।
গতকাল শনিবার দুপুরে এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা গোলাম আযমের ফাঁসির দাবিতে এটর্নি জেনারেলের কাছে স্মারকলিপি দিতে যান। এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের অনুপস্থিতিতে এম কে রহমান স্মারকলিপি গ্রহণ করে গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। মঞ্চের সংগঠকদের সঙ্গে আলাপশেষে সাংবাদিকদের এম কে রহমান বলেন, গণজাগরণ মঞ্চ এ ব্যাপারে আপিল করতে পারবে না। রাষ্ট্রপক্ষ ছাড়াও অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আপিল করতে পারবেন। আপিলের বিষয়টি আমাদের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। রায়ের কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
স্মারকলিপি প্রদানশেষে ইমরান এইচ সরকার বলেন, গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যদি শেষ পর্যন্ত আপিল না করে, তবে গণজাগরণ মঞ্চ অভিযোগকারী ও তথ্যদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আপিল করার চেষ্টা করবে। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষও সংক্ষুব্ধ বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল।
তিনি বলেন, যেহেতু গোলাম আযমের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডযোগ্য । তাই আপিল করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
স্মারকলিপিতে অবিলম্বে গোলাম আযমের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানায় মঞ্চ।
গত সোমবার জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযমকে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে ৯০ বছর কারাদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গোলাম আযমসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে আসছে গণজাগরণ মঞ্চ।