তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন দিয়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করুন :খালেদা জিয়া

গতকাল জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকারকে উদ্দেশ করে বলেছেন, আমাদের দাবি পরিষ্কার-তত্ত্বাবধায়ক। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে। বর্তমান সরকারের অধীনে যত নির্বাচন হয়েছে তা নিরপেক্ষ হয়নি। তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন না হলে সেই নির্বাচনে কেউ অংশ নিবে না। খালেদা জিয়া বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। তারা দলীয় সরকার দিয়ে ভোট কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচনে জয়লাভ করতে চায়। রাজধানীর হোটেল রূপসী বাংলায় জামায়াতে ইসলামী এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। খালেদা জিয়া বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে স্পষ্ট হয়েছে, জনগণ এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, দেশের জনগণ এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই আমাদের দায়িত্ব জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা। খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করছে না। বর্তমান সরকার প্রশাসনসহ সমস্ত ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। জনগণ এই সরকারের উপর অতিষ্ঠ। তারা মুক্তি চায়। রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব জনগণের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে এই জালিম সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা। বেগম জিয়া আদালতে বিচারাধীন মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি। ইফতার পার্টিতে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর একেএম নাজির আহমদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এলডিপির কর্নেল (অব:) অলি আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপ সভাপতি জেবেল আর গানি, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর শাহ আহমদ উল্লাহ আশরাফ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা আবুল হাসনাত আমিনী, ঢাকা মহানগরীর নেতা মুফতি ফখরুল ইসলাম, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার হায়দার আলী, বিরোধী দলের চিপ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক, কবি আল মাহমুদ, সাংবাদিক শফিক রেহমান, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক, শামসুল ইসলাম এমপি, শিবিরের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম, গাজীপুর সিটি মেয়র এম এ মান্নান, বরিশালের মেয়র আহসান হাবিব কামাল, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুদ তালুকদার, বিএনপির মহিলা দলের সেক্রেটারি শিরিন সুলতানা, এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, ইসলামী ঐক্যজোটের আমীর মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ ীয় নায়েবে আমীর মুফতী ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ডা, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, এ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মোবিন, লেবার পার্টির সভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামদুল্লাহ মেহদী প্রমুখ।