ফলন ভাল হওয়ায় বেড়ার বাদাম চাষিরা খুশি
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০১৩, ২২:০৩
বাদামের ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় বেড়ার বাদামচাষিরা এবার খুশি। তাদের মতো একই রকম খুশি উপজেলার ১৫ থেকে ১৬টি বাদাম প্রক্রিয়াজাতকারী কারখানার ৫ শতাধিক নারী শ্রমিক। এসব শ্রমিকরা এখন কারখানাগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বাদামের খোসা ছাড়ানোর কাজে। এই কাজে তারা প্রতিদিন আয় করছেন ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা।
জানা গেছে, উপজেলার বেশিরভাগ এলাকাই যমুনার চরাঞ্চল নিয়ে গঠিত। এসব চরাঞ্চল এরই মধ্যে বাদাম উত্পাদনকারী এলাকা বলে খ্যাতি অর্জন করেছে। উপজেলায় এবার প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বিঘা জমিতে বাদামের চাষ হয়েছে। বিঘাপ্রতি গড়ে প্রায় সাড়ে ৬ মণ বাদাম উত্পাদিত হয়েছে। সমপ্রতি বেড়ার নাকালিয়া হাটে গিয়ে প্রতিমণ বাদাম এক হাজার ৮শ’ থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাদামচাষিরা জানান, ভাল দাম পেয়ে তারা খুশি। নয়নপুর গ্রামের বাদামচাষি শাহজাহান আলী বলেন, ‘বাদাম চাষে এক বিঘায় সাড়ে তিন হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। সে জায়গায় একেক বিঘায় সাড়ে ৫ মণ বাদাম পাইছি। এতে একেক বিঘায় ৭ হাজার টাকা লাভ হইছে।’ হাটে বাদাম বেচতে আসা চরসাফুল্যা গ্রামের লোকমান হোসেন বলেন, ধানচাষে এবার চরম মাইর খাইছি। কিন্তু বাদাম বেইচ্যা ধানচাষের ক্ষতি কিছুটা পুষায়া নিছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, এবার বাদামের ফলন যেমন ভালো হয়েছে তেমনি কৃষক ভালো দামও পেয়েছে। এতে এলাকার কৃষকেরা বেশ খুশি।