ভাঙ্গনে নাগেশ্বরীর মানচিত্র বদলাচ্ছে

ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, গঙ্গাধর, শংকোষ, ফুলকুমারের ভাঙ্গনে প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে নাগেশ্বরীর মানচিত্র। গরীব মানুষ গড়ার কারিগর হিসাবে এ নদ-নদীগুলোর ভূমিকা কম নয়। প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হাজার হাজার মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে হয়ে যাচ্ছে নিঃস্ব। দুধকুমর ভাঙছে বামনডাঙ্গার চর রহমানেরকুটি, চর লুছনি, তেলিয়ানী, মালিয়ানী, মুড়িয়া, পাঁচমাথা, মিনা বাজার। বেরুবাড়ী ইউনিয়নের খেলাভিটা গ্রাম ও চর বেরুবাড়ীর কিছু অংশ। কালীগঞ্জ ইউনিয়নের সিএনবি বাঁধের শুরু থেকে দক্ষিণে প্রায় দেড় কিলোমিটার, সিএনবি বাঁধের উত্তর-পশ্চিমের গ্রাম কুমরিয়ারপাড়ের অর্ধেক ও ধনীর পাড় গ্রামের বেশিরভাগ অংশ চলে গেছে নদীগর্ভে। নুনখাওয়ার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের ১শ’ মিটার, বোয়ালমারী গ্রামের প্রায় শত একর আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, নুনখাওয়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাফিজিয়া মাদ্রাসা, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও নুনখাওয়া বাজার। কচাকাটা ও কেদার ইউনিয়ন দুধকুমর ও শংকোষের ভাঙনে জর্জরিত। ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গাধর মিলে ভাঙছে বল্লভের খাস ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র মাদারগঞ্জ বাজার। এর বেশিরভাগ অংশ চলে গেছে নদীগর্ভে। ব্রহ্মপুত্র ভাঙছে নারায়ণপুর ইউনিয়নে চরঝাউকুটি উত্তর, চরঝাউকুটি দক্ষিণ, চর বারোবিশ, অষ্টআশীর চর, চর নুনখাওয়া, চর মাঝিয়ালী, চর পাখিউড়া, চর আইড়মারী, চর ভেড়ামারা, কালাইয়ের চর, চর বালারহাট, চর চৌদ্দঘুড়ি, চর শৌলমারী গ্রাম।