২০১৩ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৩, ১৮:৪৯
বিজ্ঞান
জান্নাতুল ফেরদৌস স্বর্ণা, সহকারি শিক্ষক
এস ও এস হারম্যান মেইনার কলেজ ঢাকা
শিক্ষার্থীরা আজ বিভিন্ন অধ্যায় থেকে শূন্যস্থান নিয়ে আলোচনা করা হল
১। তথ্যকে —— করে উন্নততর তথ্য প্রাপ্তি হলো উত্পাদন।
উত্তর :তথ্যকে প্রক্রিয়াকরণ করে উন্নততর তথ্য প্রাপ্তি হলো উত্পাদন।
২। ———কম্পিউটার তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন বিপ্লব এনেছে।
উত্তর :ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন বিপ্লব এনেছে।
৩। ——প্রক্রিয়াজাত করে অর্থাত্ রূপান্তরিত করে উন্নত সম্পদ সৃষ্টি করা যায়।
উত্তর :তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে অর্থাত্ রূপান্তরিত করে উন্নত সম্পদ সৃষ্টি করা যায়।
৪। কম্পিউটারের মাউস দিয়ে দরকারি অংশ ——করা হয়।
উত্তর : কম্পিউটারের মাউস দিয়ে দরকারি অংশ নির্বাচন করা হয়।
৫। আধুনিক ল্যাপটপ কম্পিউটার একটি —— সমান জায়গা দখল করে।
উত্তর :আধুনিক ল্যাপটপ কম্পিউটার একটি বইয়ের সমান জায়গা দখল করে।
৬।—— দেহের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে।
উত্তর :স্নায়ুতন্ত্র দেহের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে।
৭। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম কাজ হলো তথ্য ——।
উত্তর :ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম কাজ হলো তথ্য অনুসন্ধান।
৮। বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়াকে বলা হয় ——।
উত্তর :বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়াকে বলা হয় তথ্যবিপ্লব।
৯। —— আবিষ্কার মানুষকে মুখস্থ করার শ্রম থেকে মুক্তি দিয়েছে।
উত্তর : লিপি আবিষ্কার মানুষকে মুখস্থ করার শ্রম থেকে মুক্তি দিয়েছে।
১০। জ্ঞানের দ্রুত বিস্তরণের ফলে প্রতি দশ বছরে বিশ্বের জ্ঞান——হচ্ছে।
১০। জ্ঞানের দ্রুত বিস্তরণের ফলে প্রতি দশ বছরে বিশ্বের জ্ঞান দ্বিগুণ হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা আজ অধ্যায় ১১-এর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর এবং শূন্যস্থান নিয়ে আলোচনা করা হল:
১। বাংলাদেশের আবহাওয়া কেমন?
উ: বাংলাদেশের আবহাওয়া উষ্ণ এবং আর্দ্র।
২। আবহাওয়ার নিয়ামক কি কি?
উ: তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, সূর্যের তাপ, জলীয়বাষ্প আবহাওয়ার নিয়ামক।
৩। তাপমাত্রা কি?
উ: কোন বস্তুর গরম বা ঠাণ্ডার অনুভূতি প্রকাশ হয় যার মাধ্যমে তাই তাপমাত্রা।
৪। দুপুরে বেশি গরম লাগে কেন?
উ: দুপুরে সূর্য আমাদের মাথার উপর খাড়াভাবে কিরণ দেয়। সূর্য খাড়াভাবে কিরণ দিলে বায়ুমণ্ডলের কম স্তরের ভেতর দিয়ে আসে এবং কম জায়গায় ঘন হয়ে পড়ে। এতে সূর্যের তাপ বেশি পড়ে। তাই দুপুরে বেশ গরম পড়ে।
৫। নিম্নচাপ কি?
উ: কোন জায়গার তাপমাত্রা বেশি হলে সেখানকার বায়ু হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। ফলে বায়ুচাপ কমে যায়। এরকম অবস্থাকে নিম্নচাপ বলে।
৬। শীতকালের বায়ু শুষ্ক কেন?
উ: শীতকালে বাংলাদেশের উত্তর দিক থেকে বায়ু দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু স্থলভাগ থেকে আসে বলে এতে জলীয়বাষ্প কম থাকে। তাই শীতকালের বায়ু শুষ্ক।
৭। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কি?
উ: নিম্নচাপ এলাকায় বায়ুচাপ কমে গেলে অস্বাভাবিক বা বিরূপ আবহাওয়া দেখা যায়। বিরূপ আবহাওয়া যখন মারাত্মক আকার ধারণ করে তখন তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
৮। কয়েকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম লিখ।
উ: কয়েকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম হল: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, বজ বৃষ্টি, টর্নেডো ইত্যাদি।
৯। কালবৈশাখী কি?
উ: কালবৈশাখী একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। সাধারণত বৈশাখ মাসে এ ঝড় হয়। তখন উচ্চচাপের উত্তরাঞ্চল থেকে বায়ু প্রবল বেগে দক্ষিণ দিকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়। এটিই কালবৈশাখী।
বাংলা
হিমন এডওয়ার্ড গোমেজ
সহকারি শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল, ঢাকা
হাতি আর শেয়ালের গল্প
প্রিয় শির্ক্ষাীরা আজ হাতি আর শেয়াল অধ্যায় থেকে রচনামূলক প্রশ্নোত্তর আলোচনা করা হলো
ক. অনেক দিন আগে মানুষ কী শিখছিল?
উত্তর: হাতি আর শেয়ালের গল্পটি হিতোপদেশ অবলম্বনে রচিত। গল্প থেকে আমরা জানতে পারি যে, অনেক দিন আগে চারদিকে তখন ছিল সুন্দর সবুজ বন, ঝোঁপ- ঝাড় আর দিগন্ত জুড়া নীল আকাশের ছোঁয়া। তখন মানুষ বাস করতো লোকালয়ে আর পশুর জঙ্গলে। সেই সময় মানুষ একটু একটু করে সভ্য হচ্ছিল। আর কিভাবে সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকা যায় সেই সব কায়দা কানুন শিখছিল।
খ. হাতিটা দেখতে কেমন ছিল?
উত্তর: হাতি আর শেয়ালের গল্পটি হিতোপদেশ অবলম্বনে রচিত। গল্প থেকে আমরা জানতে পারি যে, অনেক দিন আগে চারদিকে তখন ছিল সুন্দর সবুজ বন, ঝোঁপ ঝাড় আর দিগন্ত জুড়া নীল আকাশের ছোঁয়া। তখন মানুষ বাস করতো লোকালয়ে আর পশুরা জঙ্গলে।
একদিন, একটা বন থেকে তাড়া খেয়ে মসত্ম একটা হাতি এসে ঢুকে পড়লো অন্য একটা বনে। হাতিটার সে- কী বিশাল শরীর। পাগুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা। শুঁড় এতটাই লম্বা যে আকাশের গায়ে গিয়ে বুঝি ঠেকবে। আর গায়েও অসীম জোর। এই শরীর আর শক্তি নিয়েই তার যত অহংকার। মেজাজটাও দারুন তিরিক্ষি।
গ. হাতিটা বনে ঢুকে কী ধরনের আচরণ করেছিল?
উত্তর: হাতি আর শেয়ালের গল্পটি হিতোপদেশ অবলম্বনে রচিত। গল্প থেকে আমরা জানতে পারি যে, একদিন, একটা বন থেকে তাড়া খেয়ে মস্ত একটা হাতি এসে ঢুকে পড়লো অন্য একটা বনে। হাতিটার সে কী বিশাল শরীর। পাগুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা। তার গায়ে ও অসীম জোর। এই শরীর আর শক্তি নিয়েই তার যত অহংকার।
বনের মধ্যে ঢোকে হাতি শুরু করেছিল তোলপাড়। নতুন অতিথি এসেছে, সবাই স্বাগত জানাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। কিন্তু দুষ্টু হাতিটার সে-কী তুলকালাম কান্ড। খুব জোরে গলা ফাটিয়ে দিল প্রচন্ড একটা হুঙকার। থর থর করে কেপে উঠে ছিল সমস্ত বন। গাছে গাছে পরম নিশ্চিন্তে বসে থাকা পাখিরা ডানা ঝাপটাতে শুরু করলো। হাতিটা এমন ভাব করতে লাগলো যে, সে বনের রাজা।
ঘ. হাতির আস্তানায় ঢুকে শেয়াল হাতিটাকে কীভাবে, কী বলেছিল?
উত্তর: হাতি আর শেয়ালের গল্পটি হিতোপদেশ অবলম্বনে রচিত। গল্প থেকে আমরা জানতে পারি যে, একদিন, একটা বন থেকে তাড়া খেয়ে মস্ত একটা হাতি এসে ঢুকে পড়লো অন্য একটা বনে। হাতিটার সে কী বিশাল শরীর। পাগুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা। তার গায়ে ও অসীম জোর। এই শরীর আর শক্তি নিয়েই তার যত অহংকার। বনের মধ্যে ঢোকে হাতি শুরু করেছিল তোলপাড়। হাতিটা এমন ভাব করতে লাগলো যে, সে বনের রাজা। তার অত্যাচার এমন অবস্থায় চলেগিয়েছিল যে, বনের সামান্য পিপড়াও তার অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষ পেত না। তাই বনের সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বনের সবচেয়ে জ্ঞানী প্রাণী শিয়ালের উপর দায়িত্ব পরেছিল হাতিকে শিক্ষার দেওয়ার।
হাতির আস্তানায় শেয়াল যেভাবে গিয়েছিল এবং যা বলেছিল:
হাতির আস্তানায় ঢুকে শেয়াল তার লেজ গুটিয়ে হাঁটু মুড়ে হাতিকে লম্বা একটি সালাম দিয়ে বলল, আপনিই তো বনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণি। আপনিই আমাদের রাজা, সবাই একথা জানে। আপনাকে রাজা হিসেবে বরণ করে নেওয়ার জন্য ঐ দেখুন নদীর ওপারে সবাই উদগ্রীব হয়ে বসে আছে।
ইংরেজি
মো. জসিম উদ্দীন বিশ্বাস প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ,
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
সুপ্রিয় সমাপনী পরীক্ষার্থীবৃন্দ, শুভেচ্ছা নিও। তোমরা জান dialogue তোমাদের নিকট নতুন একটি বিষয় যার পূর্ণ মান থাকবে ৫। মনোযোগ সহকারে পড়ে পরীক্ষার উত্তরপত্রে পরিচ্ছন্ন হাতের লেখা সহ উপস্থাপন করতে পারলে dialogue-এ অবশ্যই চমত্কার নম্বর পাওয়া যায়। তাই আজ তোমাদের জন্য dialogue দেয়া হলো। তোমাদের জন্য আমরা পর্যায়ক্রমে ২০ টি দেয়া হবে।
Q4. Situation: Write a dialogue between you and your friend about famous persons in your locality. Respond with ‘would’ or ‘could’.
Nashid : Hi, Nasif, how are you?
Myself : Hi, Nashid. I’m fine and you?
Nashid : I’m fine, too. Nasif, what are you seeing so attentively?
Myself : It is about the famous persons in our locality.
Nashid : Could you please tell me the names of them?
Myself : Of course, they are Chandrabati, the first woman poet of Bangla literature, Syed Nazrul Islam, the first acting president of Bangladesh.
Nashid : I am really surprised to see your love to your locality. Could you please tell me some other famous persons of your locality?
Myself : Sure, they are Ependro Kishore Roy Chowdhury and Sukumar Roy who were popular writers of children literature. Oh, yes, Zainul Abedin, the great master of painting was also born in our locality.
Nashid : Where were they born, Nasif?
Myself : They were born in Kishoreganj, our own locality.
Nashid : I see! You are blessed with such type of famous persons.
Myself : Right you are! They are really famous.
Nashid : Thank you very much for your information about the famous persons.
Myself : Please don’t mention it. Bye
Nashid : Bye.