আমার প্রিয় স্কুল
মহিমগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
শারমিন আক্তার বর্ষা, অষ্টম শ্রেণি
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৩, ১৯:২৬
আমার প্রিয় স্কুলটির নাম মহিমাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। আমি এই বিদ্যালয়টির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এটি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি আজ থেকে আটচল্লিশ বছর অর্থাত্ ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে স্থাপিত।
একটি মনোরম পরিবেশে বিদ্যালয়টির অবস্থান এবং গোবিন্দগঞ্জের একটি প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি একতলা দালানঘর এবং ইটের তৈরি। গাছ-গাছালির ছায়ায় আমাদের প্রিয় স্কুলটি। সামনে রয়েছে স্কুল মাঠ। স্কুলের তিন একর নিজস্ব জমির ওপর এটি নির্মিত। প্রতিদিন এই মাঠেই আমরা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করি।
আমাদের বিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্রীসংখ্যা ৮৫০ জন। বিশজন শিক্ষক আমাদের যত্নসহকারে শিক্ষাদান করেন। এ কারণেই আমাদের বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষার পাসের হার শতভাগ। আর এসএসসি পরীক্ষার উত্তীর্ণের হার ৯৫ ভাগ। আমাদের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল মতীন একজন দক্ষ শিক্ষক। তাঁর পরিচালনায় স্কুলটির পড়াশোনা দিন দিন উন্নতির পথে। আমাদের সহ-প্রধান শিক্ষিকার নাম আমাতুর রশীদ। তিনি আমাদের সবাইকে আদর-স্নেহের চোখে দেখেন। প্রতিদিন আমাদের খোঁজ-খবর নেন। মোট ২০ জন শিক্ষক সবাই আমাদের ভালোবাসেন এবং মায়া-মমতার ছায়ায় লেখাপড়া শেখান।
আমাদের স্কুলটির রয়েছে একটি পরিচালনা কমিটি। এই কমিটির সভাপতি হলেন মো. নাজির হোসেন প্রধান। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: মোস্তফা কামাল, তরিকুল ইসলাম, মো. জাহিদুল হক ও মো. আ. ময়েজউদ্দিন।
আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিবছরই বার্ষিক খেলাধুলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাঝে-মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। তবে জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়ে থাকে। যেমন- শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, জাতীয় শোক দিবস, বিজয় দিবস, জাতীয় শিশু দিবস এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।
আমি এই স্কুলের ছাত্রী হতে পেরে গর্বিত। আমাদের এলাকার এটি বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমরা মেয়েরা সবাই মিলেমিশে এখানে শিক্ষা অর্জন করি।