কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ঘোষণা

নতুন বছরে কৃৃষি ঋণের আওতা বাড়লো

চলতি অর্থবছরের (২০১৩-১৪) জন্য ঘোষিত কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালায় বেশ কয়েকটি নতুন খাত সংযোজিত হয়েছে। এ নীতিমালায় কেঁচো কম্পোস্ট খাতকে অন্তর্ভুক্ত করে কেঁচো কম্পোস্ট সার ও বায়ো গ্যাস ফার্টিলাইজারকে ২০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নের সুবিধা দেয়া হয়েছে। এছাড়া লটকন, লেবু, আমড়া, সফেদা, মালটা, ওয়েল পাম চাষের বিষয়গুলো অর্থায়নে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় গভর্নর ড. আতিউর রহমান নীতিমালা ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসএম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন, কৃষি ঋণ ও আর্থিক সেবাভুক্তি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক অশোক কুমার দে প্রমুখ। এ সময় বেশিরভাগ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়, গত অর্থবছরে ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ দশমিক ৮০ শতাংশ কৃষিঋণ বিতরণ করেছে। ২০১১-১২ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ ব্যাংকগুলোকে বিতরণে বাকি থাকা অর্থের দুই দশমিক ৫০ শতাংশ হারে জরিমানা করে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধান করা হয়। মূলত সে জরিমানার হাত থেকে রেহাই পেতে ব্যাংকগুলো বেশি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে। তবে গতকালের বৈঠকে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে ঋণ বিতরণের ওপর সাধারণ প্রভিশন (৫ শতাংশ হারে) কমানোর প্রস্তাব করা হয়। কয়েকটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কৃষি ঋণের ওপর এক শতাংশ অথবা এসএমই ঋণের মতো শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ প্রভিশনের দাবি করেন। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঝুঁকির কথা বিবেচনায় এনে এখনই সাধারণ প্রভিশনে কোন পরিবর্তন আনছে না বলে জানিয়েছে।