সারিয়াকান্দিতে ১৫ দিনেও ভাঙা অংশ মেরামত হয়নি
সারিয়াকান্দি (বগুড়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৩, ২১:০৬
কুতুবপুরে নির্মাণাধীন বাঁধ ভেঙ্গে জনপদে পানি ঢোকার ১৫ দিন পরেও ভাঙ্গা অংশ মেরামত করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ফলে প্রতিদিন প্রবল বেগে পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে কুতুবপুর, চন্দনবাইশা, কামালপুর, ভেলাবাড়ী ও ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ১৫শ’ হেক্টর জমির উঠতি পাট, আউশ, আমন বীজতলা ও শাক-সবজির ক্ষেত বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে ওই ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে সারিয়াকান্দি ছাড়াও গাবতলী, ধুনট, শাহজাহানপুর, বগুড়া ও শেরপুর উপজেলার হাজার হাজার হেক্টর জমি ফসল তলিয়ে যাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় আগামী আমন মৌসুমে আমন চাষ করা যাবে কিনা তা নিয়ে কৃষক চিন্তিত।
পাউবোর প্রকৌশলীরা জানান, স্রোতের গতি না কমা পর্যন্ত ভাঙ্গা অংশ বন্ধ করা যাবে না। ওই ভাঙ্গা অংশ বন্ধ করলে পানির চাপে বাঁধের অন্য অংশে ভাঙ্গন দেখা দিতে পারে বলে তারা জানান। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে তালুকদারপাড়া বাঁধ ভেঙ্গে যমুনার পানি জনপদে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়। বাঁধ ভেঙ্গে চন্দনবাইশা বাজার, ৫/৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৩টি গ্রাম যমুনার গর্ভে বিলীন হয়। উল্লেখিত উপজেলার ২২ হাজার হেক্টর জমি রোপা আমন এবং অন্যান্য ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে বিনষ্ট হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রতিবছর বন্যা মৌসুমে পাউবো তড়িঘড়ি করে বাঁধ নির্মাণ কাজে হাত দেয়। ফলে ডিজাইন ও এস্টিমেট অনুযায়ী নির্মাণ কাজ করা যায় না। নানা ত্রুটি ও অনিয়মের কারণে দুর্বল বাঁধ সহজেই পানির চাপে ভেঙ্গে যায় এবং জনপদের জানমালের ক্ষতি হয়।