হুইল চেয়ারের আশায় সাগর

ভাগ্য বিড়ম্বনায় সাগর এখন শারীরিক প্রতিবন্ধী। দু’পা, বামহাত ও বাম চোখ হারিয়ে অন্যের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। সামর্থ্য না থাকায় একটি হুইল চেয়ার পাবার আশায় ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। মঙ্গলবার নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ডে দেখা হয় সাগর রায়ের সাথে। এর আগে কোনদিন আসেননি নাগেশ্বরীতে। রাস্তাঘাট চেনে না ঠিকমত। একটি হুইল চেয়ারের আশায় অপরিচিত একজনের আশ্বাসে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে ফুলবাড়ীতে যাবার সময় অটোরিক্সা তাদের নাগেশ্বরী বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে যায়। সাগরের বড় ভাই শ্যামল জানায়, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার হাসপাতাল সংলগ্ন তালতলা গ্রামে তাদের বাড়ি। ৩ বছর আগে রাজারহাট হাসপাতালের নতুন ভবনের ছাদে খেলতে গিয়ে এর উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে হাত লাগায় আটকে যায়। তাত্ক্ষণিক বিদ্যুত্ চলে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেলেও কেটে ফেলতে হয় তার দুই পা, বামহাত। নষ্ট হয়ে যায় বাম চোখ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সম্পূর্ণ শরীর। এখন সে সম্পূর্ণ শারীরিক প্রতিবন্ধী। দিনমজুর বাবা অনন্ত রায়ের পক্ষে সন্তানের কষ্ট লাঘবে একটি হুইল চেয়ার কিনে দেয়ার সামর্থ্য না থাকায় সে অনেক কষ্টে জীবন-যাপন করছে।