সালাহউদ্দিন কাদেরের পক্ষে সাক্ষী আনতে সময় বেঁধে দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৩, ২২:৫৯
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি’র পক্ষে সাফাই সাক্ষী আনতে দ্বিতীয়বারের মতো সময় দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার ট্রাইব্যুনালের বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী আসামিপক্ষ চতুর্থ ও পঞ্চম সাফাই সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে আনতে না পারলে সাক্ষ্যগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশে এ কথা জানান। এছাড়া একাত্তর সালে সালাহউদ্দিন কাদের পাকিস্তানে ছিলেন মর্মে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শামীম হাসনাইনের মায়ের দেয়া হলফনামাকে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আসামিপক্ষের করা একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
গতকাল আসামিপক্ষের চতুর্থ ও পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হলে সালাহউদ্দিন কাদেরের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম বিচারপতি শামীম হাসনাইনের মায়ের হলফনামা অতিরিক্ত ডকুমেন্ট হিসেবে গ্রহণ এবং বাকি দুই সাক্ষী হাজিরের জন্য আবারো সময় চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, চতুর্থ সাক্ষী সালমান এফ রহমান বর্তমানে ধর্মীয় কারণে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এছাড়া বিচারপতি শামীম হাসনাইন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছেন। তাই তাদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৮ জুলাই পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম মুলতবি করার আবেদন জানান তিনি। এ দুই আবেদনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জেয়াদ আল মালুম।
আবেদনের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল বলেন, বিচারপতি শামীম হাসনাইন যেহেতু নিজেই সাক্ষ্য দিবেন বলে জানিয়েছেন। সুতরাং তার কোন আত্মীয়ের হলফনামা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। আর বিচারপতি শামীম হাসনাইন এ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন কিনা সে বিষয়টি আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়।
ট্রাইব্যুনাল আদেশে বলেন, এর আগেও আসামিপক্ষ কয়েকবার সাফাই সাক্ষী হজিরের জন্য ট্রাইব্যুনালে মূলতবি চেয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু তিনি হাজির করতে পারেননি। তবে মামলার সকল দিক বিচার-বিবেচনা করে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে দ্বিতীয়বারের মতো শেষ সুযোগ দেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। এর আগে গত ২১ জুলাই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষের তৃতীয় সাক্ষী কাইয়ুম রেজা চৌধুরীর জেরা শেষ হয়। এ মামলায় সালাহউদ্দিন কাদের নিজেই সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।