হাইকোর্ট বলেছে, স্কুল, কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, গণ পরিবহনে নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যৌন হয়রানি প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনগুলোকেও (এনজিও) এগিয়ে আসতে হবে। এ সংক্রান্ত এক মামলায় বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ মন্তব্য করে। আদালত বলেন, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। যার কারণে নারীদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। একইসঙ্গে ২০০৯ সালের রায় অনুসারে কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠনে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। শিক্ষা সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ১৮ বিবাদীকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে কমিটি গঠনের ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটিতে কারা থাকবেন এবং তাদের কাজের পরিধি কি হবে সেটাও ওয়েব সাইটে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতেও এ ধরনের নিপীড়ন রোধে কমিটি নেই। এ সময় আদালতে উপস্থিত বারের সভাপতি এএম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক এম মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, আমাদের একটি সাব কমিটি রয়েছে। যখন এ ধরনের নিপীড়ন সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আসবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।