সিলেটের ঈদ বাজার জমছে দেরিতে

রমজানের প্রথম দিকে টানা হরতাল থাকায় সিলেটের মানুষ বলেতে গেলে ঘর থেকে বের হতে পারেননি। এতে তারা অনেকটা ত্যাক্ত-বিরক্তও। রমজানের প্রথম দিকে নানা কাজ তাদের গুছাতে হয়। ব্যস্থতার শেষ থাকে না। বিশেষ করে প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকার অনেকই বহুবছর পর লন্ডন, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বহু দেশ থেকে আসেন নিজ দেশে রামজান ও ঈদ পালনের জন্য। আবার কেউ কেউ প্রথম কয়েক রমজানের পর আবার চলে যান প্রবাসে। যাওয়ার সময় দেশের পণ্য সামগ্রী নিয়ে যান সেই দেশে। এবার তাদের সেটা হয়নি। রমজানের শুরুতেই প্রতিবারের মত বাজারের তেজি ভাব। এবার এর সাথে যোগ হয় রাজনৈতিক অস্থিরতা। এমন পরিস্থিতিতে সিলেটের মানুষ ছিলেন বড়ই মন:ক্ষুণ্ন ও ক্ষুব্ধ। তারপরও ঈদকে সামনে রেখে সিলেটে এবার একটু দেরিতেই জমে উঠছে কেনাকাটা। নগরীর অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাত সর্বত্রই কেনাকাটা শুরু লেগেছে। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠবে ঈদ বাজার। যানজট, ভিড় ও ঝামেলা এড়াতে অনেকেই দিনের প্রথম প্রহরে কেনাকাটা শুরু করেন। সিলেট নগরীর অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি, সিটি সেন্টার, শুকরিয়া মার্কেট, আল-হামরা, মধুবন সুপার মার্কেট, কাকলী শপিং সিটি, হাসান মার্কেট সিলেট মিলেনিয়ামসহ অন্যান্য শপিং সেন্টারগুলো ক্রেতাদের মোটামুটি ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নগরীর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজারের চেয়ে বেশি জমে উঠেছে নয়াসড়ক, নাইওরপুল, কুমাড়পাড়ার ব্রান্ডের শো-রুমগুলোতে। পাশাপাশি ফুটপাতের দোকানগুলিতেও নানা পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। নিম্ন আয়ের মানুষরা ভিড় জমাচ্ছেন এসব দোকানে। ক্রেতারা বলেছেন এবার কাপড়ের দাম বেশি। তাদেরকে বাধ্য হয়ে কয়েকগুণ বেশিদামে পোশাক কিনতে হচ্ছে। দোকানিরা জানান, কিছু কিছু বিক্রি হচ্ছে। এখন ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে বাজার যাচাই করছেন বেচা-বিকির ধূম শুরু হবে ১৫ রমজানের পর। গতকাল নগরীর শপিংমললো ঘুরে এমন তথ্যই পাওয়া যায়।