৩৭৫ রোহিঙ্গা পুশব্যাক
উখিয়া সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে
উখিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০১৩, ২১:১৫
উখিয়া সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রোজার শুরু থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় ৩৭৫ জন অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাকে বিজিবি সদস্যরা আটক করে মিয়ানমারে পুশব্যাক করলেও অধিকাংশ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে লোকালয়ে আশ্রয় নিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামবাসীর অভিমত। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ উদ্যোগ জনকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশংকা করে সীমান্তে বিজিবির তত্পরতা আরো জোরদার করার দাবি জানিয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, এ উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা সরকারি সুযোগ-সুবিধাদি ভোগ করে অবস্থান করলেও অবৈধ উপায়ে ঝুপড়ি বেঁধে বসবাস করছে প্রায় ৬০ হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা ঈদকে টার্গেট করে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কাজ করার জন্য এখানে পাড়ি জমায়। অপরদিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন এনজিও সংস্থার গোপনে দান খয়রাত করে থাকে। এসব ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার আশায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আইশৃংখলার অবনতি হতে পারে। বালুখালী বিজিবির সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান, স্থানীয় কতিপয় দালালের সক্রিয় সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা নিরাপদে অনুপ্রবেশ করে লোকলয়ে আশ্রয় নিতে সক্ষম হচ্ছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী জানান, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা প্রতি রমজান ও কোরবানির ঈদে এলাকায় অনৈতিক তত্পরতা চালিয়ে আইশৃংখলার অবনতি ঘটায়। এব্যাপারে আগে-বাগে সতর্ক হওয়ার জন্য তিনি পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ জালাল উদ্দিন জানান, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা যাতে ক্যাম্পে আশ্রয় নিতে না পারে সে ব্যাপারে ক্যাম্প পুলিশসহ সবাইকে সর্তক করে দেয়া হয়েছে।