মোবারকগঞ্জ চিনিকলে অর্ধশত কোটি টাকার চিনি অবিক্রিত

রমজানে সারাদেশে চিনির ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ চিনিকলে এখনো অর্ধশত কোটি টাকার চিনি গুদামে পড়ে আছে। চিনিকলে কেজি প্রতি ৫০ টাকা। আর খোলাবাজারে ৪০ থেকে ৪১ টাকা কেজি দরে চিনি বিক্রি হওয়ায় তালিকাভুক্ত ডিলাররা লোকসানের ভয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে চিনি সরবরাহ করছে না। চিনিকলের মিলরেট ৫০ টাকাসহ ভ্যাট-ট্যাক্স-পরিবহন খরচ দিয়ে কেজি প্রতি চিনির দাম পড়ছে ৫৫ টাকা। ফলে কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা লোকসান দিয়ে মিলের চিনি তুলছেন না ডিলাররা। মেসার্স শাহীন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সরোয়ার হোসেন জানান, খোলা বাজার আর সরকারি মিলের চিনির দাম কম-বেশি হওয়ায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মুসলিম বেকারী কর্তৃপক্ষ জানান, খোলা বাজারের চিনি ঝরঝরে ও পরিষ্কার। ক্রেতারা কিনতে আগ্রহী। মোচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি স্বপন জানান, চিনির ব্যাপক চাহিদা থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় এ চিনি বিক্রি হচ্ছে না। গ্র্যাচুইটির টাকার পরিবর্তে দেয়া হচ্ছে চিনি। মোবারকগঞ্জ চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রাইভেট রিফাইনারিরা কম দামে বাজারে চিনি বিক্রি করতে পারছে। তাই দেশের চিনি শিল্পের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরকারি চিনিকলের ভ্যাট, ট্যাক্স, শুল্কায়ন হওয়া উচিত। তবেই চিনির অসম বাজার ব্যবস্থা থাকবে না।