মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে জামায়াতের উদ্বেগ
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০১৩, ২২:৫০
জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান গতকাল এক বিবৃতিতে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতৃবৃন্দকে শাস্তি প্রদান করে একের পর এক রায় ঘোষণায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ও ঈদের পূর্বেই জামায়াত নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসলাম, ইসলামী মূল্যবোধ ও ইসলামী নেতৃত্ব ধ্বংসের নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে তথাকথিত মানবতার বিরুদ্ধে অভিযোগের মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে গঠিত হয় ট্রাইব্যুনাল। সরকারের আজ্ঞাবহ লোকদের দ্বারা গঠিত হয় তদন্ত কমিশন ও প্রসিকিউশন। তারা তদের নিজস্ব ছকে বিচারের নীল নকশা প্রণয়ন করে। সে অনুযায়ী বিচারের নামে প্রহসন চলছে। এ প্রহসনের বিচারের মুখোশ উন্মোচিত হয় স্কাইপ কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার মাধ্যমে। বিবৃতিতে বলা হয়, দুনিয়ার ইতিহাসে কোন সাক্ষীকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে সরকার কর্তৃক অপহরণের কোন নজির খুঁজে পাওয়া যাবে না। অপহূত সাক্ষীকে ভারতের কারাগারে আটক রাখার পর আল্লামা সাঈদীর মামলার রায় ঘোষিত হয়। সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে না দিয়ে ঐ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি প্রদান সরকারের এক মহা ষড়যন্ত্রের অংশ।
জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের কোথাও দল হিসেবে ‘জামায়াতের’ বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। এমনকি জামায়াতকে অভিযুক্ত করে বা পক্ষ বানিয়ে জামায়াতের বক্তব্যও শুনা হয়নি। তার পরও প্রতিটি রায়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে জামায়াতকে টেনে আনা হয়েছে।