জোকস

 একদিন এক পাঞ্জাবওয়ালা সর্দারজি মালিবু সৈকতে সানবাথ করছিলেন। তো এক তরুণী এসে বলল, ‘আর ইউ রিলাক্সিং’। সর্দারজি তরুণীর এহেন মূর্খতা দেখে বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘নো নো নো, আই অ্যাম সান্তা সিং’। তরুণী আগা-মাথা না বুঝতে মাথা নেড়ে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর আর এক যুবক সর্দারজির কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় ভদ্রতার খাতিরে জিজ্ঞেস করল, ‘আর ইউ রিলাক্সিং?’ সর্দারজি আবারও খানিকটা বিস্মিত মুখে বললেন, ‘নো নো নো, আই অ্যাম সান্তা সিং’। একটু পরে একইভাবে এক বৃদ্ধা তার পাশ দিয়ে যাবার সময় একই প্রশ্ন করায় তিনি ভীষণ উত্তেজিত হয়ে পড়লেন। চিত্কারে বললেন, ‘নোওওও, আই অ্যাম সান্তা সিং’। এবার সর্দারজি মহা খাপ্পা হয়ে স্থান ত্যাগ করে হাঁটছিলেন। কিছুদূর যেতেই আরেক সর্দারজিকে দেখতে পেলেন, খুব আয়েশে শুয়ে আছেন। তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আর ইউ রিলাক্সিং?’ ওই সর্দারজি অবলিলায় বললেন, ‘ইয়া, আই অ্যাম’। প্রথম সর্দারজি তখন বেশ রাগ করে এই সর্দারকে বললেন, ‘আরে উল¬ুক তুমি এখানে শুয়ে আছো আর ওদিকে সবাই আমাকে রিলাক সিং রিলাক সিং ডেকে ডেকে কান ঝালাপাল করে দিল!’  করিম সাহেব এবং তার স্ত্রীর মধ্যে কিছুতেই বনিবনা হচ্ছে না। দিনরাত ঝগড়া লেগেই থাকে। অবশেষে তারা একদিন গেছেন একজন পরামর্শকের কাছে। সব শুনে পরামর্শক করিম সাহেবকে বললেন, ‘আপনাদের সমস্যাটা বুঝতে পেরেছি। শুনুন, আপনি প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পাঁচ কিলোমিটার হাঁটবেন।’ এক সপ্তাহ পর করিম সাহেবকে ফোন করলেন পরামর্শক। পরামর্শক :কী খবর করিম সাহেব, আছেন কেমন? করিম সাহেব :আমি তো খুবই ভালো আছি! আপনার পরামর্শ কাজে লেগেছে। পরামর্শক :বাহ! আপনার স্ত্রী কেমন আছেন? করিম সাহেব :কী করে বলব? আমি তো প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে হেঁটে এখন বাড়ি থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে আছি!