আগৈলঝাড়া ও ঘিওরে দুই
বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০১৩, ২২:২৩
নিখোঁজের তিনদিন পর আগৈলঝাড়া উপজেলার পয়সারহাট নদী থেকে শুক্রবার মাজু বিবির (৬৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাজু বিবি একই উপজেলার দক্ষিণ বাগধা গ্রামের মৃত মোসলেমউদ্দিন বাহাদুরের স্ত্রী।
আগৈলঝাড়া থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত তিনদিন পূর্বে মাজু বিবি নিজ বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গত তিনদিনে তার কোন সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়রা পয়সারহাট নদীর বন্দর সংলগ্ন এলাকায় একটি লাশ ভাসতে দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। তাত্ক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাজু বিবির ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। লাশের ময়না তদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার হিজুলীয়া গ্রামে তাজলিয়া আলো বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাজলিয়ার নিজ ঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়। সে ঐ গ্রামের মৃত হাশেম দর্জির স্ত্রী।
এলাকাবাসীসূত্র জানায়, আলো বেগমের বাড়িতে কোন লোকজন নেই। তার একমাত্র পুত্র মো. মনিরুজ্জামান দর্জি ঢাকার মালিবাগ এসবি (বিশেষ শাখা) শাখায় অফিসার্স ইন চার্জ (ওসি) হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। তাই তার ছোট মেয়ে ও মেয়ের জামাই তার বাড়িতে বসবাস করতো। বৃহস্পতিবার সেই মেয়ে ও তার জামাই বেড়াতে গেলে রাতে খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আলো বেগম। সকালে তার কোন খোঁজ না পেয়ে, সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় প্রতিবেশীরা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। ঘরের কোন মালামাল বা জিনিসপত্র খোয়া যায়নি।
আলো বেগমের খালাত ভাই সাজাহান মজনু জানান, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা খুন করেছে আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত নই। ঘিওর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আশরাফ-উল-ইসলাম জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।