সরকারি পদে থেকে নির্বাচনী প্রচারণার সুযোগ মানব না

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সমপ্রতি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি আচরণবিধি সংশোধনের একটি খসড়া তৈরি করেছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সরকারি পদে থেকে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেয়ার সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনি প্রচারণার সুযোগ দিয়ে সংশোধনী আনা হলে বিএনপি তা মেনে নেবে না। ফখরুল আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো দলের সঙ্গে আলোচনা না করে এই সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা তা মানব না। নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে না পারলে নির্বাচন কমিশন তাদের আসনে থাকতে পারবে না। আওয়ামী লীগের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন আগ বাড়িয়ে কাজ করছে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এর ‘কটূক্তি’র প্রতিবাদে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, বরকত উল্লাহ বুলু প্রমুখ। ফখরুল আরো বলেন, সরকার তারেক রহমানকে ভয় পায়। কারণ তিনি দেশে এলে জনজোয়ার সৃষ্টি হবে। তার নেতৃত্বে সরকার খড়কুটোর মতো ভেসে যাবে। তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, মা-ছেলে বলেছেন, আবারও তারা ক্ষমতায় যাবেন সে তথ্য তাদের কাছে আছে। কিভাবে যাবেন সেটা তারা বলেনি। তারা আগামী নিবার্চনে বিজয় ছিনিয়ে নিতে নানা কলাকৌশল করছেন। তিনি বলেন, তারেক রহমান ইতিবাচক রাজনীতি করেন, এ জন্য সরকার ও আওয়ামী লীগ তাকে ভয় পায়। অপরদিকে, সাদেক হোসেন খোকা বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করতে প্রয়োজনে তার চেয়েও কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে।