চট্টগ্রামে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে লোক সরানো শুরু

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন গতকাল সোমবার থেকে নগরীর লালখান বাজার ট্যাংকির পাহাড় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। রবিবার ভোরে বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসে মা ও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনার পর এসব এলাকা থেকে জনসাধারণকে সরিয়ে নেয়ার কাজ প্রশাসন আরো জোরদার করে। যদিও বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে ঐসব এলাকায় বসবাসকারীদের প্রশাসনের নিরাপত্তা তাঁবু ও নিজেদের নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছিল। কিন্তু প্রশাসনের আদেশের তোয়াক্কা না করে ঝুঁকিপূর্ণ বলে শনাক্ত পাহাড়ি ঢালে বিপুল সংখ্যক পরিবার অবস্থান করতে থাকে। অননুমোদিতভাবে অবৈধ জায়গায় নির্মিত এসব ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ এলাকায় সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভাড়াটে জনসাধারণের ইচ্ছা থাকলেও ঐসব বাড়ির কথিত মালিকরা জায়গা ও বাড়ি হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভাড়াটেদের সরে যেতে দিচ্ছে না বলে গোড়া থেকে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশের কারণে কিছু পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা গেছে। প্রশাসনের লোকেরা পরিত্যক্ত বাড়ি-ঘরের বিদ্যুত্, পানি ও গ্যাসের লাইন কেটে দিয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে ১৪টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় রয়েছে। যার পাদদেশে প্রায় দেড় হাজার নিম্নআয়ের পরিবার বসবাস করে। এদের অধিকাংশই রিক্সাচালক, গার্মেন্টস শ্রমিক ও দিনমজুর।