মো’র চ্যালেঞ্জে রাজি বোল্ট

সত্যিই যদি এটা কখনো হয় তাহলে সেটা হবে অ্যাথলেটিক্স ইতিহাসের সেরা দৌড়গুলোর একটি। আর সেটা হবে নাই বা কেন। একজন যদি হন ইতিহাসের দ্রুততম স্প্রিন্টার তাহলে অন্যজনকে মানতে হবে এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা দূরপাল্লার দৌড়বিদ। আর প্রতিযোগিতার দূরত্বও নির্ধারণ করা হবে দুজনের কথাই মাথায় রেখেই। সেটা হতে পারে ৬০০ থেকে ৮০০ মিটার। হ্যাঁ পাঠক, বলা হচ্ছে ১০০ এবং ২০০ মিটার স্প্রিন্টের কিংবদন্তি উসাইন বোল্ট এবং লন্ডন অলিম্পিকে ৫০০০ এবং ১০০০০ মিটারে স্বর্ণজয়ী মো ফারাহর কথা। নিজ নিজ দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করার জন্য বোল্টকে এমনই এক দৌড়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ব্রিটেনের ফারাহ। আর বন্ধুর এমন প্রস্তাব পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই গ্রহণ করেছেন বোল্টও। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গত বছর লন্ডন অলিম্পিক থেকে। অলিম্পিক চলাকালীন সময়ই দুজন দুজনের উদযাপন ভঙ্গি নকল করেও দেখিয়েছিলেন। লন্ডনে যে জুতা পায়ে ১০০ মিটার দৌড়েছিলেন সেটা মো ফারাহ ফাউন্ডেশনে দিয়ে ফারাহকে সাহায্য করেছিলেন বোল্ট। সেই বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেই গত সোমবার স্কাই স্পোর্টসের সামনে বোল্টকে উদ্দেশ করে দারুণ এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ফারাহ। যা কিনা অ্যাথলেটিক্স ভক্তদের মন ভরাবে, পাশাপাশি সহায়তা করবে দুজনের দাতব্য প্রতিষ্ঠানকেও। ৩০ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট বলেন, ‘তার দাতব্য প্রতিষ্ঠান আছে। আমারও মো ফারাহ ফাউন্ডেশন আছে। তুমি (বোল্ট) কি প্রস্তুত এরকম কিছুর জন্য? তাহলে আর বসে থাকা কেন?’ দুজনে কত মিটার দৌড়ের প্রতিযোগিতায় নামবেন সেটা ঠিক করার দায়িত্ব ভক্তদের ওপরই ছেড়ে দিলেন ফারাহ। তিনি বলেন, ‘প্রকৃত অ্যাথলেটিক্স ভক্তরাই ভোটের মাধ্যমে ঠিক করুক কত মিটার দৌড়ানোটা যুক্তিযুক্ত।’ ফারাহর চ্যালেঞ্জটা নিতে মোটেই দেরি করেননি বোল্টও। এই জ্যামাইকান বলেন, ‘দারুণ মজা হবে (এটা হলে)। এটা আমার জন্য একটু কঠিনই বটে কিন্তু বিষয়টির সঙ্গে মানবতা জড়িত। সম্ভাব্য সবকিছুর জন্যই আমি প্রস্তুত আছি।’