উলিপুরে জেএসসির ফল বিপর্যয়ের আশংকা
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০১৩, ২১:৪২
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ৭শ ৫৯ জন শিক্ষার্থীকে চারু ও কারুকলা বিষয়ে ক্লাস করে আগামী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে। ফলে পাঠদান বঞ্চিত এসব শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা ফল বিপর্যয়ের আশংকা করছেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের জারি করা নতুন কারিকুলামের মাধ্যমে সরকার চলতি শিক্ষা বছর পাঠ্যসূচিতে অষ্টম শ্রেণি থেকে চারু ও কারুকলা বিষয়টি বাধ্যতামূলক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক না থাকায় ক্লাস বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষায় ৫০ নম্বরের উত্তর কিভাবে লিখবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীদের অষ্টম শ্রেণিতে আবশ্যিক বিষয়ে ৯শ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হতো। বাংলা ২শ, ইংরেজি ২শ, গণিত ১শ, সামাজিক বিজ্ঞান ১শ, সাধারণ বিজ্ঞান ১শ, ধর্ম ১শ, কৃষি অথবা গার্হস্থ্য ১শ । কিন্তু জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এ বছর কারিকুলামে পরিবর্তন এনে সামাজিক বিজ্ঞানের পরিবর্তে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, বাংলা ও ইংরেজি ২য় পত্রের ৫০ নম্বর কর্তন করে ৫০ নম্বরের নতুন চারু ও কারুকলা ও ৫০ নম্বরের শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয় আবশ্যিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। উপজেলার একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করতে যুগোপযোগী কারিকুলাম চালু করেছে। কিন্তু এ বিষয়ের নির্দিষ্ট শিক্ষক ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে তা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, এটা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের ব্যাপার, শিক্ষককের পদ সৃষ্টি না করে কারিকুলামে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তই ভুল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারেনি।