ডিএনডি-তে পানির পাম্প নয়, বালু ভরাট করাই স্থায়ী সমাধান

গত ৬-৭-১৩ তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘দুর্ভোগের নাম ডিএনডি বাঁধ’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রতিবেদক ডিএনডি এলাকাবাসীর নানা দুর্ভোগ বিস্তারিতভাবে বর্ণনান্তে নিম্ন এলাকা থেকে জমে থাকা পানি পাম্প করে সরাবার জন্য আরো অধিক সংখ্যক পাম্পমেশিন ব্যবহারের প্রস্তাব করেছেন। কিন্তু আগেও পাম্পমেশিনে সমস্যার সমাধান হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। কেননা পাম্পমেশিনগুলো অধিকাংশই প্রায়ই অকেজো হয়ে থাকে। সেগুলো মেরামত করতে সময় লাগে। এছাড়া নিষ্কাশন খালগুলো অহরহ আবাসিক আবর্জনা দ্বারা ভরাট ও বেদখল হয়ে যায়। সুতরাং এলাকাবাসীর দুর্ভোগ স্থায়ীভাবে দূর করার জন্য নিকটস্থ শীতলক্ষ্মা নদী থেকে নিচু জমিতে বালু ভরাট করাই একমাত্র উপায়। এজন্য জমির মালিকদের ওপর শতাংশ প্রতি খরচের হার নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। আশা করি, এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো — যেমন পানি উন্নয়ন,নগর উন্নয়ন, যোগাযোগ উন্নয়ন ইত্যাদি আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে যে, এলাকার উন্নয়নের বিপক্ষে এক শ্রেণির স্বার্থবাদী লোক বাধা হয়ে আছেন। এ কারণেই নারায়ণগঞ্জ থেকে নির্মিত রিং রোডটি সাইনবোর্ড পর্যন্ত এসে থেমে গেছে। এটাকে চিটাগাং রোড ্অতিক্রম করে যেতে দেওয়া হয়নি। সে সময় যদি সে রোডটি চিটাগাং রোড ক্রস করে চলে যেতো তবে কাচপুর ও যাত্রাবাড়ির আজকের প্রচণ্ড যানজট নিরসন হতে পারতো। এছাড়া ডেমরার মাতুয়াইল থেকে সারুলিয়া পর্যন্ত এলাকাকে ঢাকা সিটি করপোরেশনভুক্ত করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এভাবেই এ এলাকাকে মডেল টাউন করার পরিকল্পনাও সফল হয়নি। ডেমরার ডিএনডি এলাকাটি ঢাকা সিটির সঙ্গে একেবারে সংলগ্ন। এখানে উন্নত মানের ঘরবাড়ি, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কেট ও হাসপাতাল গড়ে উঠতে পারতো। কিন্তু কেন জানি কিছুই হতে পারছে না। কাজেই আশা করি, বর্তমান সরকার এবং আগামী সরকার অচিরেই এ এলাকার দিকে নজর দেবেন। মো. আবুল কাসেম, ডগার, উত্তরপাড়া, ডেমরা, ঢাকা