প্রকাশিত খবর প্রসঙ্গে

ট্যালেক্সের মালিক নন হানিফ

গত মঙ্গলবার দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘বিটিআরসির হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনদের পরিবার’ শীর্ষক সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ করেছে ট্যালেক্স লিমিটেড ও সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এমপি। এছাড়া ভিশন টেলের পরিচালক শরিফুল ইসলামও সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ট্যালেক্স লিমিটেডের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো এক প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, বিটিআরসির নীতিমালা আনুযায়ী তারা কল টার্মিনেশন করে আসছে। প্রতিবেদনে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আসলে এই প্রতিষ্ঠানের মালিক আব্দুর রহমান ও মুজিবুর রহমান। মাহবুব-উল আলম হানিফের সঙ্গে ট্যালেক্স লিমিটেডের কোন ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। সৈয়দ আবুল হোসেন তার সংসদ সদস্যের প্যাডে পাঠানো এক প্রতিবাদ পত্রে বলেছেন, তার মেয়ে বিটিআরসির সঙ্গে সম্পৃক্ত কোন ব্যবসায় জড়িত নেই। গত বছরের ২৫ এপ্রিল ক্লাউড টেল লিমিটেড-এর শেয়ার হোল্ডার মালিকদের কাছ থেকে কোম্পানি ৫০ ভাগ শেয়ার কিনেছিলেন। ৫০ ভাগ শেয়ার তার নামে হস্তান্তর হয়েছিল। পরবর্তীতে টেলি কমিউনিকেশন জ্ঞানের অপ্রতুলতার কারণে তার কেনা সব শেয়ার গত বছরের ৯ ডিসেম্বর অন্যত্র বিক্রি করে দেন। নিয়ম অনুযায়ী মালিকানা হস্তান্তরিত হয়েছে। তার মেয়ে কখনো ক্লাউড টেলের ব্যবস্থাপনার কোন পর্যায়ে সম্পৃক্ত ছিলেন না। ক্লাউড টেল আইসিএক্স ও ভিশন টেল আইজিডাব্লিউ-এর কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। ভিশন টেলের সঙ্গে তার মেয়ের কখনো কোন সম্পর্ক ছিল না। আর ক্লাউড টেলের সঙ্গে সম্পর্ক ৮ মাস আগে শেষ হয়ে গেছে। কাজেই তার মেয়ের কাছে বিটিআরসির পাওনা থাকার প্রশ্নই আসে না। এদিকে ভিশন টেলের পরিচালক শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর করা এক প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, আবুল হোসেন এমপির মেয়ে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কখনই সম্পৃক্ত ছিলেন না। এখনো এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে ভিশন টেলের কাছে বিটিআরসির পাওনার বিষয়ে প্রতিবাদপত্রে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া অন্যরাও প্রতিবাদপত্রে বিটিআরসির পাওনার বিষয়ে কিছু বলেননি।